বিএনপি যদি জামায়াত ত্যাগ করতো…

September 20, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

২০০৭ সন থেকেই যারা ক্ষমতা দখলে রেখেছে, ৩ মাসের কথা বলে ৫ বছর ক্ষমতা দখলে রাখার দুঃসাহস যাদের, এরপরেও কীভাবে ড. কামালদের মতো বুদ্ধিজীবিরা শর্ত জুড়ে দেয় বিএনপিকে? ১) জামায়াত ছাড়তে হবে। ২) খালেদা এবং তারেক জিয়ার বিষয়ে আন্দোলন করতে হবে নিজস্ব প্লাটফরম থেকে? “কুটনীতিবিদরাও জানতে চায়, তারেক এবং জামায়াত সম্পর্কে বিএনপির অবস্থান কী!” মনে হচ্ছে, ৫ জানুয়ারি নয়, তারেক এবং জামায়াতই একমাত্র সমস্যা। ডান-বাম, বিএনপি-জামায়াত, রিপাবলিকান, ডেমোক্রেট, কম্যুনিস্ট… পশ্চিমা এক্টিভিস্টদের ভাষায় বলবো, আমি সব দলের (শুধু লীগ বাদে)। কারণ এটি এখন পার্টির বদলে সন্ত্রাসীদের আস্থানা। কোন রাজনৈতিক দলই ওদের মতো সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়ায় না। ৭৫এর বাকশাল, জনতার মঞ্চ, ১/১১এর অভ্যুত্থান ঘটানোর মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রমাণ হয়েছে। সর্বশেষ দুটার্মে প্রমাণ করলো, সংসদে এবং বাইরে এরাই হাক্কানি, লষ্কর-ই-তাইবা, আল-শাবাবের চেয়ে কম নয়। পশ্চিমারাও একেই সন্ত্রাস বলে। মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই এদের বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের একশন। এইক্ষেত্রে ব্যতিক্রম কারণ, সবাই মিলে লুটছে। বলতেই পারেন, আমি কারো পক্ষ নিয়েছি। তবে ‘জনকণ্ঠে’ ১২ বছর লেখার পর, গত ৮ বছর যেখানে লিখছি, তখন আওয়ামী লীগ না হলে, এখনও কোনটাই নই। ঐক্যবাদিরা যাদেরকে মাইনাস করে জোট গঠন করতে যাচ্ছে, বিএনপি যদি ২০১০ সনেই জামায়াত ত্যাগ করতো, কী হতে পারতো, সেটাই লেখার বিষয়। একটি হালনাগাদ। জামায়াত ত্যাগ করলে, পালাক্রমে ৫ জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হতেন খালেদা। সেই পথ মেরামত করতে, ১৩তম
…read more

ডিল্যুশনাল বুদ্ধিজীবিদের ঘুম ভাঙ্গাতে চাই

September 6, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

“কারো কথাই আমলে নিচ্ছে না সরকার”- আবারো সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনের অনুষ্ঠানে একই মন্তব্য নেত্রী সুলতানা কামালের। সুন্দরবন কেন, এদের হাতে সব ধ্বংস হয়ে যাবে। দুঃখজনক, ১০ বছর ধরেই ৯৯ ভাগ বুদ্ধিজীবিরাই ডিল্যুশনাল। যা সত্য, ১৯৭৫এর ধারাবাহিকতায় ১/১১, ২০০৯, ২০১৪এর সরকার। একই দল, একই পরিবার, একই মুখ, একই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। পার্থক্য শুধুই সর্বাধিনায়ক। সাদ্দাম হোসেন, গাদ্দাফি কিংবা ইরানের শাহ… একই ফ্যাসিজম সত্ত্বেও, পরবর্তীতে একজনও বংশপরাম্পর পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারেননি। কিন্তু বাংলাদেশে কীভাবে সম্ভব? সাঁতার না জানলে, সমুদ্রবিলাস নির্ঘাত মৃত্যুর সঙ্গে কোলাকুলি। সত্য যে, এরশাদ পরবর্তী সময়ে, একমাত্র ৯৬ ছাড়া, আর কখনোই সামনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসেনি। সর্বশেষ দুইটার্মের সঙ্গে পূর্ববর্তী তিন পার্লামেন্টের কোন মিল নেই। এমনকি ৯৬এর গণতান্ত্রিক আওয়ামী লীগের সঙ্গেও সর্বশেষ দুই পার্লামেন্ট শতভাগ বিচ্ছিন্ন। অগণতান্ত্রিক আওয়ামী লীগের হাতে ১/১১এর কুশীলবরা, পরিকল্পিতভাবে উত্তরাধিকার হস্তান্তর শেষে আমেরিকায় আত্মগোপনে। পরবর্তীতে উত্তরাধিকার রক্ষা করছে একটি সাম্রাজ্যবাদি গোষ্ঠি। এদের কারণেই সর্বশেষ দুইটার্মের একনায়কত্ব, রেজাশাহপাহলোভির তুলনায় হাজারগুণে জটিল। যেকারণে পাহলোভিদের রেজিম শেষ হলেও, এরা ২০৪১ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা!!! ২ সুলতানা আপাদের মতো বুদ্ধিজীবিরা কী ইচ্ছা করেই বাকশাল ভুলে গেছেন? বাকশাল এবং সর্বশেষ দুইটার্ম- হুবহু। একে আলাদা করে দেখার নাম- ডিল্যুশন। ৭৫এর স্বর্ণালী যুগে শেখ ফজলুল হক মনির গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যটি এখনো মিডিয়ায়। ৪৩ বছর পরের প্রেক্ষাপটে যা ৭৫এর চেয়ে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ। বলেছিলেন, “মুজিব ছাড়া বাংলাদেশে কোন
…read more

আমি কেন ৫৭ ধারার পক্ষে

August 20, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

প্রতিক্রিয়া হবে জেনেই, কোন প্রাপ্তবয়ষ্ক পাবলিকে মন্তব্য করেন। এই কাজে বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করা হয়। ইদানিংকালে সফল এবং জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা, ভেরিফাইড ফেইসবুককেই মতপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফরম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তবে কারো বক্তব্য জননিরাপত্তার হুমকি হলে, সেটা রুখে দেওয়া প্রতিটি সুনাগরিকের দায়িত্ব। এই ধরনের একটি ঘটনা, বাংলাদেশের রাজনীতিকে সন্ত্রাসবাদের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ভেরিফাইড ফেইসবুকে মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে, যথারীতি ছাত্র আন্দোলনেরও মোচড় ঘুরে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো ব্যক্তির মন্তব্য। প্রতিঠি ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য করার দায়িত্ব কেন নিজের কাঁধে নিলেন? অথচ নন কোন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, নন কোন বৈধ সরকারের উপদেষ্টা। তারপরেও তার হাতেই সর্বময় ক্ষমতা। ভেরিফাইড পেইজে তার বক্তব্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। তার অনুমতি ছাড়া ক্ষমতাসীনদের সুতাও নড়ে না। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না হয়েও বিশেষ ক্ষমতাবলে, ক্ষমতাসীনদের সকলে তাকেই কুর্ণিশ করে। এই অভিজ্ঞতা হয়েছে- অতীতে ইরান, লিবিয়া, হেইতির পাপাডকের পুত্র বেবিডকের বেলায়। বিষয়টির চুলচেরা বিশ্লেষণ প্রয়োজন। মন্তব্যের সুস্পষ্ট ধারাবাহিকতা লক্ষ্যণীয়। শহীদুল আলমকেও গ্রেফতারের পরেই যথারীতি পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ফেইসবুকে একাধিক মন্তব্য। বিষয়টি এইরকম। নোবেল লরিয়েট থেকে সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিংবা সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান… প্রত্যেকেই তার বিচারে দোষী। নির্দোষ শুধুই অনির্বাচিত সরকার, যার সঙ্গে তার পারিবারিক সম্পর্ক। তারাই বিশেষ ক্ষমতাবলে স্বপরিবারে পিপলস হাউজটি দখলে রেখেছেন। পাশ্চাত্যের শিক্ষার দাবি করলেও, আচরণে ন্যূনতম প্রতিফলন না থাকার অভিযোগে উত্তাল স্যোসাল মিডিয়া। মন্তব্যের মাধ্যমে, আইনের গতি পাল্টে
…read more

আমি নৌকামন্ত্রীর পক্ষে

August 9, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

নৌকামন্ত্রী বলার কারণ, এদের প্রত্যেকেই নৌকার মন্ত্রী, যাদের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক নাই। তারপরেও তার পদত্যাগ চাই না। অন্যথায় টপ-টু-বটম ৫ জানুয়ারির প্রত্যেককেই পদত্যাগ করতে হবে। এই ঝুকি নেওয়ার মতো পরিস্তিতি এখন আর নাই। সেইফএক্সিটের গ্যারান্টিও বহু আগেই ফুরিয়েছে। লাইসেন্সবিহীন হওয়ায়, ক্ষুদ্ধ পাবলিকের সঙ্গে রক্তগঙ্গা হওয়ার আশংকা। সর্বোপরি, ৫ জানুয়ারির দায়িত্ব শাহজাহান খানের নয়। অবৈধ নির্বাচনটি হয়েছিলো বলেই তিনি এবং কালোবেড়ালদের মতো অনেকেই মন্ত্রী হতে পেরেছেন। প্রত্যেকেরই বেপরোয়া হওয়ার কারণও সেটাই। আইনহীন সরকার, আইন মানবে না। ইতিহাসের এটাই নিয়ম। সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো ছাত্র-ছাত্রীরা। তাদের কারণেই জানলাম, দেশের আসল চালক কে! জানলাম, সরকার অবৈধ হলে, আইনও অবৈধ হয়। আরো জানলাম, লাইসেন্সবিহীন এবং ফিটনেসবিহীন সরকারের মতোই অর্ধেক গাড়ির অবস্থা। প্রশ্ন, সামান্য গাড়ি চালাতে লাইসেন্স লাগলে, দেশ চালাতে লাগে না? যেভাবে এখানে পৌঁছালাম। দার্শনিক ব্যাখ্যাটি এইরকম, আমরা কী আমেরিকার কোর্টে ঢাকার বাড়ি রেজিস্ট্রি করতে পারবো? আগের সরকারগুলোর বেলায় দুর্নীতি ছিলো কিন্তু সীমানাও ছিলো। বিষয়টি হলো, ৫ জানুয়ারির লাইসেন্স দিয়ে ক্রেমলিন এবং দিল্লিতে গাড়ি চালানো বৈধ। কারণ ওই লাইসেন্সে তাদের অদৃশ্য সিল। ওইদিন বাংলাদেশের জনগণ ভোট দিয়ে কাউকে নির্বাচন করে নাই, বলেছে সুপ্রীম কোর্ট। আদেশটি এখন পর্যন্ত বহাল। অর্থাৎ ক্রেমলিন্তদিল্লির লাইসেন্স দিয়ে বাংলাদেশে গাড়ি চালানো অবৈধ। পর্কের মাংস হারাম নাকি হালাল, প্রশ্নটি একাধিক ধর্মের মানুষদের জন্য নিষিদ্ধ। একইভাবে কালোবিড়ালমন্ত্রী হারাম কিন্তু নৌকামন্ত্রী
…read more

স্বাধীন হয়েছি, মুক্তি হয়নি

August 2, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

দরজায় রোগির কণ্ঠ শুনেই নাকি রোগনির্ণয় করার ক্ষমতা ছিলো ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের। কিন্তু আমাদের রাজনীতিতে ডা. বদরুদ্দোজারা থাকলেও, ছড়িয়ে পড়া ক্যান্সার দেখেও, দাঁতের চিকিৎসা নিয়েই ব্যস্ত। ফলে যা হওয়ার সেটাই হয়েছে। সব জেনেছি, সব বুঝেছি, সব দেখেছি। ভাবছিলাম, কোটাবিরোধি আন্দোলন নিয়ে লেখা মানেই আবারো সময় নষ্ট করা। তারপরেও লিখবো এবং মুক্তিযুদ্ধের খিচুরি বানাতে, ৭১এর সকল অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাবো। “বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে দেশবিরোধি কার্যক্রমে যারাই অংশগ্রহণ করেছে, তারা সবাই যুদ্ধাপরাধী। তাদের উত্তরসূরীরা যেন কোনরকম সুযোগ-সুবিধা না পায়, সেটি নিশ্চিত করা হবে। এটি নিশ্চিত করতে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা পাকিস্তানিদের পক্ষে কাজ করেছিলো, সেইসব রাজাকার, আলসামস, আলবদরদের তালিকা করা হবে। কোটা সংস্কার বিষয়ে আদালতের রায় থাকায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা রেখে বাকিগুলো সংস্কার হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাদ দেয়া যাবে না।” কেন্দ্রিয় কমিটির সভায় হাইকমান্ডের এই বক্তব্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ লেখাটির গন্তব্যস’ল। শুধুমাত্র শেরেবাংলা এবং মওলানা ভাসানীর মতো পলিটিক্যাল একাউন্টেটের অভাবে, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর এইধরনের গীবত শুনতে বাধ্য হচ্ছি। অন্যথায় বহু আগেই জিহ্বার লাগাম টানতে হতো। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন, রিফিউজি হওয়া। না। ডালভাতের সন্ধানে ভূমধ্যসাগরে এটা কোন বেকার বাংলাদেশির মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্চালড়ার অভিজ্ঞতা নয়। বরং পরাধীনতামুক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা। ১০ এপ্রিল প্রায় ১০ হাজার সংখ্যালঘুর সঙ্গে ভারতের ডালু পাহাড়ে পৌঁছালে জুটলো, রিফিউজি স্ট্যাটাস। ততোদিনে অন্তত আরো ২০ হাজার রিফিউজি সেখানে, যাদের ৯৯.৯৯ ভাগই সংখ্যালঘু। নতুন প্রজন্মের অধিকাংশই
…read more

ইয়েস স্যার!

July 30, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

আমার অভিজ্ঞতায় ‘স্যার’ শব্দটি যতোখানি সম্মানের, তারচেয়ে বেশি আত্মঘাতী। প্রথমে ‘স্যার’ শব্দটির ভালো দিকটা নিয়েই আলোচনা। স্কুলজীবনে একমাত্র শিক্ষকদেরকেই স্যার বলতাম। স্যার মানেই সামান্য বেতনে জ্ঞান বিতরণ। সেই সময়ের কথাই বলছি, অধিকাংশের পড়নে মলিন শার্ট, ধুতি, পায়জামা। তিনি যা বলবেন, সকলেই ইয়েস স্যার। আজ মনে পড়ছে একজন স্যারের কথা, ডাক্তার না হলেও তার নাম- কাননবালা ডাক্তার। রূপের দেবী কাননবালাকে বিয়ে না করার দুঃখে- চিরকুমার। অংকে পারদর্শী সত্ত্বেও কেন শিক্ষক হননি, জানি না। তবে বিপদ হলো আমার। এমনিতেই সকালে-বিকালে প্রাইভেট মাস্টার। তার উপরে অতিরিক্ত আপদ কাননবালা স্যার। জোর করেই বিনাবেতনে অংক শেখাবেন। ত্যাক্তবিরক্ত হয়ে, গোপনে অনেক গালিগালাজ করতাম। এখন মনে হয়, স্যার বেঁচে থাকলে পা দুটো মাথায় রাখতাম। কারণ যা কিছু শিখেছি তাদের কাছ থেকেই। তার মতো বহু স্যারের কাছে কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। পরবর্তীতে যাদের সঙ্গে পরিচিত হতে থাকলাম, বাইরের স্যারদের সঙ্গে ক্লাসরুমের স্যারদের আকাশ-পাতাল তফাৎ। ৯৯ ভাগই দাম্ভিক, অসৎ, বদমেজাজী, বৈষম্যবাদী, সুবিধাবভোগী, ঘুষখোর, চাঁদাবাজ, নারীবাজ… ক্লাসটির সঙ্গে কমবেশি সকলেই পরিচিত। স্যার শব্দের বাইরে অন্যকোন সম্বোধনকে সহ্য করে না। দারোয়ান, বুয়া, চাকর, ড্রাইভার, কেরানী, হেলপার… নাতির বয়সী হলেও স্যার। বাপের বয়সী দারোয়ানের মুখেও স্যার। স্যারকে দেখামাত্রই দাঁড়াতে হবে। বাপ না পুত্র বয়সী সেসব বিবেচ্য নয়। পরবর্তীতে ‘স্যার কালচারের’ সঙ্গে পরিচিত হতে থাকলাম। অফিস্তআদালতে ‘নো স্যার’ বলে কোন শব্দ নেই। আমার কাছে
…read more

১/১১ থেকে লর্ড কার্লাইল, নিষ্ক্রিয়তার অভিশাপ

July 22, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

একাডেমিক লেখার জন্য একাডেমিক রাজনীতি লাগে। হাভাতে রাজনীতির কারণেই বারবার খালেদাকে নিয়ে চর্বিতচর্বণে বাধ্য হচ্ছি। কারণ, আজব্দি তিনিই একমাত্র নেতা, যাকে যমের চেয়েও বেশি ভয় পায় আওয়ামী লীগ। যেকারণে ভোটের বাইরে রাখতে, কারাগারে রাখতে হলো। এছাড়া অন্য, এই আগুন সামাল দেয়া অসম্ভব। অবশ্যই দুর্ভাগ্যের জন্য নেত্রীর নিস্ক্রিয়তাই দায়ী। কিন্তু একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করে যাচ্ছে বাকিরাও! বারবার অর্থহীন জোট গড়ার ঘোষণাসহ, প্লাস-মাইনাসের হিসাব নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকায়, ২০৪১ পর্যন্ত গণতন্ত্রের ভাগ্য লাটে উঠলো। সেজন্যই মুক্তিযুদ্ধের ৪৭ বছর পর, ব্রিটিশের উচ্চকক্ষের পার্লামেন্টারিয়ান এবং আন্তর্জাতিক আইনজীবি লর্ড কার্লাইলের সঙ্গে দুই দেশের ভিসা প্রতারণা নিয়ে লিখতে বাধ্য হচ্ছি। ভাবছি, কীভাবে উপস্থাপনা করা উচিত! ঢাকার হুকুমে ভিসা প্রতারণা করেনি সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারত? ঢাকার কোন হাত নেই, মহাসচিবের বক্তব্য সঠিক? ভারতকে নিরাপদ রাখার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে, হর্ষবর্ধনকে কড়া বার্তা দেয়নি পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়…? ইন্ডিভিজ্যুয়াল অর্থাৎ বেছে বেছে নয়। কালেক্টিভ অর্থাৎ সমষ্টিগত সমালোচনাই মহাসুনামি থেকে জাতিকে এখনো উদ্ধার করতে সক্ষম। কিন্তু আমরা করছি ঠিক বিপরীত। বিষয়টি বোঝাতে একটি উদাহরণ। আওয়ামী লীগ মানেই নৌকা বোঝাই করে মাঝদরিয়াতে ফেলে দেবে। কূলের সন্ধান চলাকালে আরো নৌকা বোঝাই করে এনে ডুবিয়ে দেবে। তখন কেউ কেউ এর কারণ খুঁজতে থাকবে। কেউ গালিগালাজ করবে। অন্যেরা দোষারোপকেই বেছে নেবে। যেমন, ২০১২ সনে মনে হয়েছিলো, সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত নিয়ে লিখতেই হবে। কিন্তু সংসদকে
…read more

ভোটের শক্তির কাছে ধরাশায়ী ক্রাউলি

July 15, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

৭টি কনিনেন্টে বিভক্ত সত্ত্বেও সবার মৌলিক চাহিদাগুলো অভিন্ন। ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা যার অন্যতম। পৃথিবীতে সাড়ে আট মিলিয়ন জীবের মধ্যে একমাত্র মানুষই সর্বশ্রেষ্ঠ। কারণ মানুষই চিন্তাশক্তির অধিকারী। সেজন্যই চাহিদাগুলোও পশু কিংবা অন্যান্য জীবের চাইতে ভিন্ন। যারা একটি আদর্শে সীমাবদ্ধ থাকে, তারা ওই ব্যক্তির মাথার আগাছা। যারা সব আদর্শ আমলে নিয়ে চিন্তাশক্তিকে বিকশিত করে, তারা প্রকৃত মানুষ। বাংলাদেশ একটি আদর্শের কারাগাড়ে বন্দি। কেউ কেউ বলতেই থাকে, আমরাও শুনতেই থাকি। কিন্তু মানুষের মতো ভাবি না। উদাহরণস্বরূপ- – ইউরোপসহ কাতারকেও নাকি অর্থনীতিতে পেছনে ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশ!!! – বাংলাদেশের উন্নতি নাকি বিশ্বের কাছে রোল মডেল!!! – এক ব্যক্তিকেই ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় না রাখলে, দেশ চলে যাবে জামায়ত-বিএনপি সন্ত্রাসীদের(?) হাতে। যারা আওয়ামী লীগের উন্নতি নষ্ট করে দিয়ে সন্ত্রাসবাদ চালু করবে!!! উদাহরণগুলো ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের বিরুদ্ধে মহাজনদের আস্ফালন। এদেরকে ব্যালটবাক্স থেকে চিরতরে দূর করে না দিলে, ২০১৮ সনে আরেকটা সর্বনাশ অনিবার্য। কিন্তু কীভাবে সম্ভব? ২ বাংলাদেশ ক্যকাসের চেয়ারম্যান, কংগ্রেসে ১০ বার নির্বাচিত জোষেফ ক্রাউলির নাম বাংলাদেশিদের অত্যন্ত সুপরিচিত। ডেমোক্রেট পার্টির ৪র্থ শক্তিশালী নেতা। ট্রাম্পের তীব্র সমালোচক। মিডটার্ম ইলেকশনের পর, হাউজ স্পিকারের পদটি পাওয়ার কথা। কিন্তু ভোটের শক্তির কাছে কী হলো? নিউইয়র্কের চ্যানেল ওয়ানের ডিবেট টেবিলে মুখোমুখি দুই প্রার্থী। একপ্রান্তে মোটাসোটা মধ্যবয়েসী জোষেফ ক্রাউলি, চেহারায় অভিজ্ঞতার ছাপ। মোটা ফ্রেমের চশমা। গায়ের রঙ ভয়ানক সাদা। বক্তব্যে গতানুগতিক
…read more

খালেদার মৃত্যু কী জেলেই?

June 23, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

জিয়ার জানাযায় লাখ লাখ মানুষের ঢল। হাইকমান্ড না হয় ভাবমূর্তি উজ্জ্বলের ব্যবসা খুলে বসেছেন কিন্তু লাখ লাখ নেতা-কর্মী থাকতে, রাস্তায় না নেমে ঘরে বসে কী সুখ বিএনপি জোটের? অভিযোগ-অনুরোধ করেই খালেদাকে মুক্ত করতে চায়? পারলে করুক। তবে ২০১৮এর নির্বাচনও ৫ জানুয়ারির মতোই চুরি হবে। সেটা হলে, ৩ মাসও টিকতে পারবে না ভোটচোরেরা। সমস্যা একটাই। “খালেদার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্ভাবনারও মৃত্যু হবে এবং সেটাই নিশ্চিত করছে অবৈধরা।” ভারতে যাক আর চুলায় যাক, আমার প্রশ্ন, বিএনপি কী তাহলে জিয়ার চেয়েও বড় জানাযার স্বপ্ন দেখছে? জেলেই মারা যাচ্ছেন কিনা, একটি পরিপূর্ণ মানচিত্র আঁকা যাক। ফামার্স ব্যাংককে ৭২৩ কোটি টাকার ঋণ খেলাপী থেকে আইনের অব্যাহতি (৩০ এপ্রিল, যুগান্তর)। ইয়াবাসম্রাটকে নিরাপদে দেশ ছাড়তে দেয়া। এরপরেও যারা ভয়ানক অসুস্থ খালেদার মৃত্যু গুলাগেই হবে কিনা, প্রশ্ন তোলেন, প্রত্যেকের উচিত মাথার চিকিৎসা করানো। হ্যাঁ। অপজিশনের বিরুদ্ধে গুলাগ খুলে ক্ষমতায় থাকছে অবৈধরা। গুলাগের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি। এটা স্বৈরাচারশ্রেষ্ঠ লেলিনের প্রতিষ্ঠা করা নির্যাতন এবং হত্যাকেন্দ্রের নাম। পরবর্তীতে স্টালিন, হিটলার, পুতিন, জিনপিং, কিম জং-এর মতো স্বৈরশাসকেরা মূলত পলিটিক্যাল অপজিশনদেরকে নির্যাতন এবং হত্যা করতে গুলাগে নিয়ে যায়। একবার ঢুকলে আর কখনোই বের হয় না। ৯ বছর ধরেই গুলাগের অহরহ প্রমাণ মিডিয়ায়। পশ্চিমের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে সেগুলো পৌঁছেছে। কিন্তু তারপরেও বিষয়টি আমলে নেওয়ার বদলে উপেক্ষা করেছে জাতিসংঘসহ সকল মানবাধিকার সংস্থা। এতো প্রমাণ যে,
…read more

গণতন্ত্রমুক্ত বাংলাদেশ

June 8, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

একমাত্র নির্বাচন ছাড়া অন্য কোন ক্রাইসিস বাংলাদেশে নাই। তবে এই ১টা ক্রাইসিস থেকেই কোটি কোটি ক্রাইসিসের জন্ম। এজন্য দায়ী দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদেরকে চি‎িহ্নত করাই লেখাটির উদ্দেশ্য। মোদিমুক্ত ভারত বা কংগ্রেসমুক্ত ভারতের কথা বহু শুনেছি। কিন্তু শান্তিনিকেতনে পুরোপুরি গণতন্ত্রমুক্ত হয়ে গেলো বাংলাদেশ! এজন্য কবিগুরুর নিকেতনকে জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিল বলাই উচিত। বোলপুর থেকে ফিরে সাংবাদিক সম্মেলনে যা শোনালেন, কাউকেই না জানিয়ে, উজার করে দেয়ার প্রমাণ। প্রতিদানে ক্ষমতায় না রাখলে, পূব-পশ্চিম দুইদিক থেকেই পাকিস্থানের সঙ্গে ঘর করার হুমকি মোদিকে। সত্যিই তার রাজনীতির আগামাথা হিসাব করার বুদ্ধি ১৬ কোটির মধ্যে একজনেরও নাই। শান্তিনিকেতনে এক ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ২০১৮এর নির্বাচন বেচাকেনার ষড়যন্ত্র ফাঁস করে আনন্দবাজার ১ম পৃষ্ঠায় লিখেছে, “হাসিনা প্রতিদান চান মোদির কাছে।” কিসের প্রতিদান? সেটা দিতে হলে, কুখ্যাত ৫ জানুয়ারির মতো আবারো ভোটচুরির করে ক্ষমতার ব্যবস্থা করে দিতে হবে মোদিকেই। হাইকমান্ডের সুবিধা, মোদি রাজী না হলে, চীন তো হা করে বসে আছে। এভাবেই শান্তিনিকেতনে পুরোপুরি স্বৈরাচার যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। আসছে আরেকটা সিসিমার্কা নির্বাচন। তাবেদার সরকার এর নাম দিয়েছে- ‘উন্নয়নের গণতন্ত্র’। মানুষও বিশ্বাস করছে, তাকেই বারবার ক্ষমতায় রাখলে কয়েকদিন পরেই মালয়েশিয়া হয়ে যাবে। মাহাথির, লি কুয়াংরা যা পারেননি, ওমুক সনে ইউরোপকেও হার মানাবে। স্যাটেলাইট পাঠিয়ে মহাশূন্যের দ্রাঘিমাংশের জমি কেনার গল্প খুব ভালো কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতে মর্ত্যের রাস্থাঘাটের যে নিদারুণ অবস্থা, মানুষ জানতে চায়, একনেকে বরাদ্দ
…read more