অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রধান শর্ত – অংশগ্রহণ নিষেধ?

March 17, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

গর্দভের আদালতে নির্বাচন:- ছোটবেলায় বলতাম, ইফ যদি ইজ হয়, বাট কিন্তু হোয়াট কি? এর কোন ব্যাখ্যা আসলেই নেই। জানতে চাওয়াটাও গাঁধার কাছে প্রশ্ন ফাঁসের কারণ জানতে চাওয়ার মতো। প্রাচীনকাল হতেই গর্দভ একটি অতি নিরীহ প্রাণী। পিঠের উপর হাজারগুণ অধিক বোঝা তুলে দিলেও প্রতিবাদ করে না। গর্দভ সমপ্রদায়ের উপর বেজায় চটেছেন হাইকমান্ড। যদিও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রধান শর্ত, বেছে বেছে অংশগ্রহণ থেকে মাইনাস করা কিনা, বললেনই না। ওবায়দুল কাদেরদের বিষয়টি এইরকম- হবে… হচ্ছে… তবে… হয়তো… অনেকটাই constipation-এর মতো। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের গ্রহণযোগ্য উদাহরণ। অর্থ পাচারের জন্য মোর্শেদ খানের মামলার তদন্ত চলবে কিন্তু প্রেসিডিয়াম সদস্য জাফরুল্লাহর অর্থ চুরির গন্তব্যস্থল পানামার ব্যাংকের নাম মুখে আনাও পাপ? ঠিক যেমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আনা মামলাগুলো থেকে শতভাগ খালাস হাইকমান্ড কিন্তু জেলে নিয়ে হত্যার ব্যবস্থা প্রতিপক্ষকে। সিইসিও সাফ বলে দিলেন, “নির্বাচনে সবদলের অংশগ্রহণের বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে না” (দ্র: মানবজমিন ৮ মার্চ)। এরপরেও গর্দভ সমপ্রদায় চুপ থাকবে না কেন? তবে হাত-পা বেধে সাগরে ডুবিয়ে দেওয়ার পরেও, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলতে বিএনপি মহাসচিব কী বোঝেন, উত্তরটি “ইফ যদি ইজ হয়”-এর মতো। আজকের বিষয়, লালকেল্লার সবুজ সংকেত প্রেক্ষিতে বিজেপি বনাম কংগ্রেস এবং আওয়ামী লীগ। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের “সময়” নিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। ৭ বছরেও পাওয়া গেলো না ৩০ সেকেন্ড সময়? অথচ ৯ মাসেই পাকিস্তানিরা কাইৎ। ফেইসবুক আবিষ্কার ১০ মাসে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আরো কয়’শ
…read more

নেতাজী ফাইল, কংগ্রেসমুক্ত ভারত এবং প্রণবের চোখে জল

March 7, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

দুই বাংলার দুই পরিত্যাক্ত বীর। রাজনৈতিক মারদাঙ্গাতেও একই খলনায়কদের চরম নৃশংস্যতার শিকার। তাদের একমাত্র অপরাধ- আপোষ নয় বরং সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা। একজন দূরে থেকে জ্বালিয়ে দিলেন স্বাধীনতার আগুন, অন্যজন সশস্ত্র সংগ্রামে মাঠে। এরপরেও তারা পরিত্যাক্ত কেন, সেটাই লিখবো। প্রণববাবু কাঁদছেন কিন্তু কেন? ৬০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়া দিল্লির মসনদে একটি পদও নেই, যা তিনি ভোগ করেননি। “যেখানেই পা রেখেছেন, প্রণববৃক্ষগুলো এমনভাবে রোপন করেছেন, যেখান থেকে বেরিয়ে আসা দুই দেশের পক্ষেই অসম্ভব, বিশেষ করে প্রায় প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে তার রেখে যাওয়া বাংলাদেশ বিষয়ক নীতি নির্ধারণ।” অধিকাংশই রাজনীতিতে প্রণব ফ্যাক্টর বুঝতে অক্ষম। সেজন্যই তিস্তার পানি কিংবা ৫ জানুয়ারির দোলাচলে এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনীতি। ইন্দিরার হাত ধরে সোভিয়েত মডেলের করাপ্ট কম্যুনিস্ট গণতন্ত্র এবং ক্যাস্ট্রো মডেলের পারিবারিক রাজতন্ত্র, দুটোই ভারতকে খাইয়েছেন, বাংলাদেশেও পাচার করেছেন বলেই সংসদের চেহারাটা এরশাদের মতো। ব্যতিক্রম একটাই, বিএনপিমুক্ত রাজনীতির চিফ আর্কিটেক্ট এখন কংগ্রেসমুক্ত ভারতের বিরুদ্ধে কাঁদছেন। তীব্র প্রতিরোধের মুখে, ৬০ বছর দেরিতে হলেও কংগ্রেসের হাতে জিম্মি নেতাজীর প্রায় দেড় শতাধিক সিক্রেট ফাইল অবমুক্ত করে প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিলো বিজেপি। ফাইলগুলো বন্দি রাখতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েছে চক্রান্তবাদিরা। তারা চায়নি, ভারতীয় রাজনীতিতে অন্য কারোই আধিপত্যবাদ থাকুক। অধিকাংশেরই বিশ্বাস, নেহেরু নয়, নেতাজীর সশস্ত্র সংগ্রামের প্রভাবই ব্রিটিশদের ভারত ছাড়ার সূত্রপাত। ১৯৫৬ সনে যে কথাটি স্বীকার করেছিলেন, ৪৭এর ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরকারী প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
…read more

খালেদাকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজন শেষ

February 25, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

ভূয়া ডক্টরেট এক উপদেষ্টা, ২০১০ সনে বলেছিলেন, নিশ্চিত থাকেন, বিএনপি আর কখনোই ক্ষমতায় আসবে না। আমাদের ওমুক ভাই ফিউচার পিএম। সেই ব্যবস্থা হয়ে গেছে। সেদিন কথার গভীরে যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো না। আগুনসন্ত্রাসী, পাকিস্তানপন্থি, রাজাকারদের দোসর, মানুষ পুড়িয়ে মারা, স্বাধীনতাবিরোধি, গুপ্তচরের স্ত্রী… বহু পদবীপ্রাপ্ত খালেদাকে বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজন শেষ যে কারণে। অতীতে ধর্মানুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতারের পরেই জামায়াতের নেতাদেরকে অন্যান্য মামলায় ‘শ্যোন’ এরেস্ট দেখিয়ে যা করলো, এবার বিএনপির পালা। খালেদার ‘শ্যোন’ এরেস্টগুলোও তৈরি। তাকেও ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য নেয়নি। ব্যক্তি খালেদা:- ডিজিটাল পৃথিবীতে যেন ‘জাহেলিয়া’ যুগের প্রত্যাবর্তন, যখন নারীকে উৎসব করে কবর দিতো সমাজপতিরা। খালেদার উপর নির্যাতনগুলো বিলুপ্ত সতীদাহ, বাল্যবিবাহের যুগকেই ফিরিয়ে দিলো। ২ বছরের কন্যাশিশুকে যখন ১০০ বছরের কুলীন ব্রা‏হ্মণের সঙ্গে বিবাহ দিয়ে স্বর্গের সিঁড়ি নিশ্চিত করতো পরিবার। যখন মৃত স্বামীর সঙ্গে চিতায় তুলে দিয়ে ঢোল-কর্তাল বাজাতো পুরুষবাদি সমাজ। তুলনামূলকভাবে আফগান নারীদের উপর কাঠমোল্লাদের নির্যাতনকেও ম্লান করে দিলো এই নির্যাতন। এই যুগের একজন খালেদা, যাকে মধ্যযুগীয় নির্যাতনের পরেও দেশ-বিদেশে একজন নারীবাদিকেও পাওয়া গেলো না। বিশেষ করে বাংলাদেশি পুরুষদের হৃদয়হীনতা, ‘নিষ্ঠুরতা’ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার পাওয়ার যোগ্য। একজন বয়স্ক বিধবা, ব্যাধিগ্রস্তকে যখন স্বামীর ভিটা থেকে উপড়ে ফেললো, ৮ কোটি পুরুষের একজনও রুখে দাঁড়ায়নি। পুত্রশোকে বিধ্বস্ত খালেদা যেদিন বিশেষ কাউকে ঘরে ঢুকতে দিলো না, সমবেদনার বদলে সমাজপতিরা তার বিচারে বসেছিলো। পুত্রশোকের বদলে বড় হয়ে উঠেছিলো, ওমুক
…read more

বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের খেলা

February 15, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

প্রসঙ্গ সন্ত্রাস। কাবুল আর বাংলাদেশকে এক পাল্লায় তুলে দেয়াটা বিনা কারণে নয়। এর পেছনে বিরাট ষড়যন্ত্র। প্রণবের জানা উচিত সন্ত্রাস দুইরকম। অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ। ৯/১১এ আমেরিকা ছিলো অফেন্সিভ। পরবর্তীতে অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ দুটোই। সেইরকমই ইরাক এবং আফগানিস্তানও প্রথমে ডিফেন্সিভ হলেও এখন তারাও দুটোই। বলছি সন্ত্রাস নিয়ে প্রণব এবং আওয়ামী লীগের হিসাব এক। একমাত্র পাগল-ছাগলেরাই পেন্টাগন-কাবুলের পাল্লায় তুলবে বাংলাদেশকে। অন্যের অধিকারহরণই প্রকৃত সন্ত্রাস। ২০১৯এর ভূয়া নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কিত মানুষ। অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ দুই ধরনেরই হাঙ্গামাকারীদের আশংকা ফেলে দেয়া যাবে না। যেকারণে ভারত বিরোধি সেন্টিমেন্ট এখন সর্বোচ্চ্। যা ঘটতে পারে, স্যোসাল মিডিয়ায় কিছুটা টের পাওয়া যায়। এই ভয়েই ওবায়দুল কাদেরদের মুখে, বারবার আরেকটা ১৫ আগষ্টের আশংকা? এবার প্রণবের প্রশ্নের উত্তরে দিতে মহানায়কদের হত্যার কারণ খুঁজবো। বহুবছর ধরে রাজনীতিতে যে নিম্নচাপ বজায় রেখেছে প্রণব ডক্টরিন, আবহাওয়া বিজ্ঞান অনুযায়ী, শূন্যতা দখলে ঝড় তখনই উঠে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ মানবাধিকার নেতা ড. কিং ১৯৬৪ সনে এভাবেই অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ হাঙ্গামার ব্যাখ্যা করেছিলেন, “ভায়োলেন্স ইন দ্যা ল্যাংগুয়েজ অব দ্যা আনহার্ড।” অর্থাৎ যাদের কথা শোনার কেউ নেই, হাঙ্গামা করে সেটাই জানাতে চায় নির্যাতিতরা। বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি নোম চমস্কি ইহুদি হয়েও ইস্রায়েলকেই বড় সন্ত্রাসী মনে করেন। একইভাবে- ভিয়েতনাম, লাউস, কম্বোডিয়া, তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানে যে ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়েছিলো আমেরিকা, জবাবে, পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে যা করলো ৭১এর মিত্রশক্তি, প্রকৃত সন্ত্রাসের ব্যাখ্যা
…read more

সুবীর ভৌমিকের বাগাড়ম্বর এবং কিসিঞ্জার ডক্টরিন

February 10, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

নানান দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, গণহত্যা, অস্ত্র বিক্রি, অক্যুপেশন, মানবতাবিরোধি অপরাধ, যুদ্ধশিশু যার লেগেস্তি তিনি হেনরি কিসিঞ্জার। ফোর্ড-নিক্সনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং স্টেট সেক্রেটারি। ছিলেন নিক্সনের পীরের মতো। তার পরামর্শ অনুযায়ী ভিয়েতনামে প্রত্যেকদিন শতশত টন বোমাবর্ষণ, ৭১এ পাকিস্তানকে অস্ত্র বিক্রি, চায়নার সঙ্গে বন্ধ দরজা খুলে দেয়া, ৭৪এ দুর্ভিক্ষ ত্বরান্বিত করতে মধ্য সমুদ্র থেকে খাদ্য জাহাজ ফিরিয়ে নেয়া, মুজিব হত্যায় মোস্তাক গং রিক্রুট… অবসরে যাওয়ার এতো বছর পরেও দক্ষ কৌশলবিদ কিসিঞ্জারের অনবদ্য প্রভাব মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে। তার কুটনৈতিক সাফল্যেই পূর্ব গোলার্ধে মার্কিন আধিপত্যবাদ বেড়েছে। অন্যদিকে অবসরে যাওয়ার আগে ও পরে, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও যার নিরঙ্কুশ প্রভাব, এশিয়ান কিসিঞ্জার বলাই যথার্থ। তিনি রাজনীতেতে না এলে, দিল্লির বাংলাদেশ নীতি কেমন হতো? এইধরনের প্রশ্নেরই জবাব দিয়েছেন ভারতীয় থিংকট্যাংকের সিনিয়র ফেলো-সাংবাদিক সুবীর ভৌমিক তার ইঙ্গিতপূর্ণ লেখায় (দ্রঃ আমাদের সময় ২১/১/১৮)। কয়েকটি তাৎপর্যপূর্ণ লাইন, “…২য় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রণব মুখার্জিকে গ্রহণ করা হলে, ২০১৪ সালে কংগ্রেস এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তো না। …রাহুল গান্ধি যদি স্মার্ট হন এবং কংগ্রেসকে ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী থাকেন, তবে প্রণব মুখার্জি হবেন এমন এক রাজনীতিবিদ, যার পরামর্শ তিনি সক্রিয়ভাবে কামনা করতেন পারেন। প্রণব মুখার্জি হলেন ভাতের শেষ বাঙালি রাজনীতিবিদ, যিনি বাংলাদেশের সঙ্গে প্রবলভাবে সম্পৃক্ত। …এই বাঙালি সমীরকণটি বিএনপি-জামায়েত ও তাদের মতো অন্যরা কখনো বুঝতে পারবে না। …মহান বঙ্গবন্ধু সচিন্দ্রকে (ত্রিপুরার ১ম মুখ্যমন্ত্রী) স্বাগত জানাতে তার অফিসের
…read more

প্রণব এখন রাষ্ট্রপতি নন

January 27, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সফরকে কেন্দ্র করে যা দেখলাম, পড়লাম, শুনলাম… বিশ্বাস করতে চাই পুরোটই দুঃস্বপ্ন। ঘুম ভাঙ্গলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। স্মরণীয় আফ্রিকান উক্তি, “যতোদিন না আহত শিকারের কথা বলতে কেউ এগিয়ে আসবে, ততোদিন শিকারির গৌরব গাঁথাই লিখে যাবে ইতিহাস।” ৯৯ ভাগ বাংলামিডিয়া যখন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লেখা ‘ফায়ার এণ্ড ফিউরির’ নোংরা ঘাটছে, আমি লিখবো শিকারের ইতিহাস। প্রণবের আত্মকথার ‘ফায়ার এণ্ড ফিউরিতে’ ২০০৮এর নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং ফাঁস করে মাইনু সম্পর্কে লিখেছেন, “হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তাকে বরখাস্থ করতে পারেন, এ নিয়ে শংকিত ছিলেন তিনি। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব নিলাম। হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর ওই জেনারেলকে পদে টিকিয়ে রাখার নিশ্চয়তা দিলাম। …২০০৮ সালের ডিসেম্বরে জাতিয় নির্বাচন হলো, ওই নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হলেন শেখ হাসিনা। …শেখ হাসিনা আমার ঘনিষ্ঠ পারিবারিক বন্ধু। যখন তিনি জেলে ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের কিছু নেতা তাকে ত্যাগ করেছিলেন, আমি তাদেরকে নিজের অবস্থানে ফিরে যেতে তাগিদ দিয়েছিলাম।”   ২ অভিযোগের সংক্ষিপ্ত তালিকা:- – বিডিয়ার হত্যাকান্ডে ক্ষমতার মসনদ নড়ে উঠলে, প্রকাশ্যে হুমকি, হাসিনার কোন ক্ষতি হলে ভারত হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। এরপরেই ঢাকায় এসে গোপন মিটিং। – জোট সরকারের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত তার, বাস্থবায়ন করেছেন হাইকমান্ড। বেছে বেছে ফাঁসির তালিকাটিও তার। সাঈদীকে ফাঁসি না দিতে পেরে বেজায় অখুশি। – সুজাতা মিশনের কারিগরও তিনি। – জামায়াত ত্যাগের শর্তে দিল্লিতে খালেদাকে সাক্ষাত।
…read more

না বলেও যা বলে গেলেন প্রয়াত নগরপিতা

January 17, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

পাকিস্তান আমলে মেট্রিকে ফার্স্ট ডিভিশন পেলে বাড়ি ভরে গেলো আমাকে দেখতে আসা লোকজন দিয়ে। সবার মুখে এককথা, ফার্স্ট ডিভিশন কী মুখের কথা! বাবার গর্ব দেখার মতো! দুর্ভাগ্য, একজীবনেই দেখতে হলো, শিক্ষামন্ত্রীর মুখে ঘুষের যোগ-বিয়োগ শিক্ষা। এরপরেও স্বপদে থাকার মতো বিশ্ববেহায়া। তবে বিশ্ববেহায়া তিনি একা নন। এজন্য দায়ী আওয়ামী লীগ, যারা সংগ্রামী দলের বদলে সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। প্রথমদফায় ক্ষমতায় এসেছিলো অদৃশ্য ভোটডাকাতি করে। দ্বিতীয়দফায় উন্মুক্ত ডাকাতি। এদেরকে যারাই শক্তি যোগাচ্ছে, তারাই ইরাক-আফগানিস্তানে নরকের সৃষ্টি করেছে। এদের মোটিভ নিয়ে কেউই আতঙ্কিত নয়। উদ্দেশ্য, সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠান সৃষ্টির মাধ্যমে অঢেল টাকার ব্যবস্থা করা, যার পেছনে অন্ধের মতো ছুটবে সর্বস্তরের মানুষ। দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠানগুলোই হবে অবৈধ টাকার একমাত্র ঠিকানা, যেগুলো ব্যবহার করবে দলীয় প্রতিষ্ঠানের মতো। শুরু থেকেই যুব সমাজের নীতিনৈতিকতা ধ্বংস করতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গডফাদারদের হাতে তুলে দিয়েছে। প্রশ্নপত্র এবং পরীক্ষার রেজাল্ট ফাঁস, টিউটেরিয়াল সিন্ডিকেট কেন এতো শক্তিশালী? কারণ দুর্নীতিবাজদের হুকুম মানতে বাধ্য নয় দুর্নীতিবাজরা। বিষয়টি গ্যাংস্টার বনাম গ্যাংস্টারের যুদ্ধের মতো। নগরপিতার মৃত্যুতে উল্লাসিত দখলদারেরা পুর্নরুজ্জীবিত হয়ে দখলে নেমেছে। রাষ্ট্রকে এরা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে, সেটাই জানিয়ে গেলেন নগরপিতা। এই কাজটাই হোক তার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। লেখাটির উৎসও তিনি। মেয়রকে যারাই ক্ষমতায় বসিয়েছিলো, তারাও অনির্বাচিত হওয়ায়, দখলদারদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যায়নি প্রশাসন। দুর্নীতি কখনোই পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব না। তবে আইনের শাসন থাকলে অনেকটাই সম্ভব। সেজন্য
…read more

ডিভাইড এণ্ড রুলের পোশাকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ!

December 30, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

অনাদিকাল হতেই ফলাফলের আশায় মানুষ পরিশ্রম করে। কিন্তু ৯ বছরের ‘পক্ষ-বিপক্ষের’ যুদ্ধের ফলাফলটা কী? নাকি হাজার হাজার ঘণ্টা সময়, মেধা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, অকটেন… খর্চ করে এমন কোন ফর্মূলা আবিষ্কার করেছি, যা দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনে দুইপক্ষই একমত! মুক্তিযুদ্ধকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ক্ষমতাসীনদের বক্তব্য এখন সবচে’ বড় হাসির খোরাক। বক্তব্যের সারাংশ- বিএনপি-জামায়াতকে পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যেতে হবে। প্রসঙ্গ, চার্চিলের সিক্রেট প্লান এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষের স্ট্যান্ট। মাউন্টব্যাটেন চেয়েছিলেন, বিবাদমান দুটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে একমত করে- অবিভক্ত ভারতের শান্তিপূর্ণ সমাধান। কিন্তু পার্টিশন নিয়ে রায়ট শুরু হলে, অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারত ভাগে বাধ্য হলেন ভাইসরয়। পুরো বিষয়টাই চার্চিলের প্রতারণা বলে দাবি “দ্যা শেডো অব দ্যা গ্রেট গেইম” বইয়ের লেখক নরেন্দ্র সিং সেরিলার। প্রিন্স চার্লসের উৎসাহে বইটি থেকে নির্মিত ছবির নাম- “ভাইসরয়ে’স হাউজ।” সেরিলা লিখেছেন, ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে পাওয়া অনেক সিক্রেট ডকুমেন্টস অনুযায়ী, ১৯৪৫ সনেই গোপনে পাকিস্তান সৃষ্টির মানচিত্র বানিয়েছিলেন “ওয়ার টাইম প্রধানমন্ত্রী চার্চিল।” উদ্দেশ্য, একটি ‘বাফার স্টেট’ অর্থাৎ দুটি বিবাদমান দেশের মধ্যখানে ৩য় দেশ বানিয়ে সোভিয়েতকে দূরে রাখা। ডকুমেন্টের নাম, “ওয়ার কেবিনেট-টপসিক্রেট-পোস্ট হস্টালিটিস প্লানিং।” চার্চিলের সন্দেহ, অবিভক্ত ভারত থাকলে, এশিয়া দখল করবে সোভিয়েত। এই কাজে সবচে’ বেশি প্রয়োজন বন্দর। সোভিয়েতের বন্দরগুলো অধিকাংশ সময়েই বরফ। সেজন্যই স্টালিনের চোখ, উষ্ণপানির করাচির পোর্ট। লেখকের দাবি, পাকিস্তান বানানোর বহু আগেই ছদ্মনামে জিন্না এবং চার্চিল যোগাযোগ করতেন। পূর্বপরিকল্পিত রায়টগুলোর উদ্দেশ্য, দেশবিভাগে
…read more

সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের প্রতারণা এবং রওশনের বেদনা

December 21, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সেনাবাহিনী এবং ডাক্তারের মতো সাংবাদিকতাও মহান পেশা। কিন্তু যখন কেউ এটাকে বিরোধিদলের বিরুদ্ধে- বিশেষ কোন রাজনৈতিক দলের মন্ত্রী বা কর্মীর মতো ব্যবহার করে, সেখানে সাংবাদিকতা থাকে না। লেখাটির উদ্দেশ্য, গণভবনে সংবাদ সম্মেলন। সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের জন্য তে সংসদই রয়েছে। সেখানে ৩০০ অবৈধ এমপি জি-হুজুরের ভূমিকা ভালোভাবেই পালন করছে। মহানপেশার মধ্যে এসব যুক্ত করা কি ঠিক? সাংবাদিকেরাই সাংবাদিকতার শত্রু হয়ে উঠছে। তারা কী আমেরিকার বিরোধিদলের ভূমিকা দেখছে না? ট্রাম্পের মূর্তি বানিয়ে পশ্চাদে লাথি মারছে কিন্তু কোন ধারাতেই জেলে যেতে হচ্ছে না। আমার অভিযোগটি ঢালাও নয়। বরাবারের মতোই কম্বোডিয়া ফেরত প্রেসকনফারেন্সের ভিডিও যতোবার দেখি, চোখে সাংবাদিকতার কুলখানি দেখি। সাংবাদিক সম্মেলনগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য, জিয়া পরিবারকে আক্রমণ। গুজবভিত্তিক প্রশ্নোত্তর পর্বে যে অভিযোগগুলো মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের নারী সাংবাদিকের, প্রমাণ করতে না পারলে, মহানপেশা ছেড়ে দেবেন কিনা! ৫০ নাকি ৫০০ কোটি কিংবা ১২ মিলিয়ন নাকি ১২ বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি… দলীয় সভা নয় বলেই যা-তা বলা যাবে না। ৭১এর সাংবাদিকের ভয়, বিশ্বনেত্রী হয়ে যাওয়ায় বিশ্বমিডিয়া নাকি তাকে কেড়ে নিয়েছে এবং দেশি মিডিয়া তাকে আর পাবে না। ব্যক্তির দেয়া টেলিভিশনের কারণেই এই প্রজন্মের সাংবাদিকরা করে খাচ্ছে। অন্যেরা প্রচার না করলেও ৭১ টিভি খালেদার দুর্নীতির খবর প্রচার করেছে বলে দলীয় কর্মীর সুরে গর্ব। সবচে’ বড় আপত্তি, যখন প্যারাডাইস পেপার্সে কোকো-তারেকের নাম এসেছে বলে দাবি করে নিজের টেলিভিশনেও প্রচারের ক্রেডিট নিলেন। ৭১
…read more

পোপ কী বললেন, কী বললেন না

December 14, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

অহিংস পরমধর্মের জনক গৌতমবুদ্ধই যখন পারলেন না, যীশু পারবেন কেন?  ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি পোপ উচ্চারণ করলেন কি করলেন না, একেবারেই মূল্যহীন। বুদ্ধের শিক্ষার উপর রক্ত ঢেলে দিয়ে এবং শান্তির নোবেল পেয়েও গণহত্যার প্রমাণ রেখে- প্রকৃতঅর্থেই যুদ্ধাপরাধের খাতায় নাম লেখালেন সুচি। ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ঢাকায় উচ্চারণের পরেই পোপের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে গেরুয়া ভিক্ষু এবং সাধারণ বর্মীরা। তাদের দাবি, রোহিঙ্গাদের ফেরত আসতে দেবে না। ভেবেছিলাম এই বিষয়ে আর লিখবো না কিন্তু দ্বিপক্ষীয় স্মারকের পর লিখতেই হলো। স্মারকটি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দ্বিপক্ষীয় ষড়যন্ত্র, প্রকৃতঅর্থেই যা- ভিকটিমদের মৌলিক অধিকার ফেরত পাওয়ার সকল দরজা বন্ধ করে দিলো। এর কিছুই মানতে বাধ্য নয় মিয়ানমার। এইচআরডাব্লিউ যার নাম দিয়েছে- স্ট্যান্ট অর্থাৎ ভাওতাবাজি (যুগান্তর ২৫ নভেম্বর)। জমিজমা কেড়ে নিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করে, প্রাথমিকভাবে ‘অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে’ রাখার নামে আসলেই ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের’ আদলে ব্যবস্থা এসব। রাখাইনে এখনো যাদেরকে ঘিরে রেখে ভাতে ও পানিতে মারছে, ফেরত নিয়ে সেইরকমই কিছু করবে। কারণ স্মারক থেকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ বাদ। স্মারকের চীফ আর্কিটেক চীন, এভাবেই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ থামিয়ে দিলো। কারণ প্রতিটি মুহূর্তেই এরা আন্তর্জাতিক মহলের চোখে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছিলো। লাখ লাখ শরণার্থীদের ঢুকতে দেওয়ার আগে বৈধ বিরোধিদলসহ সাধারণ মানুষ, কারো সঙ্গেই আলোচনা না করে, একাই সর্বনাশা সিদ্ধান্ত নিলো আওয়ামী লীগ!!! একটার পর একটা ভুল করবে তারা আর মাশুল দিতে থাকবে সাধারণ মানুষ? সকলেই জানে, আরাকানের ভূমিদখলই রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের
…read more