সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের প্রতারণা এবং রওশনের বেদনা

December 21, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সেনাবাহিনী এবং ডাক্তারের মতো সাংবাদিকতাও মহান পেশা। কিন্তু যখন কেউ এটাকে বিরোধিদলের বিরুদ্ধে- বিশেষ কোন রাজনৈতিক দলের মন্ত্রী বা কর্মীর মতো ব্যবহার করে, সেখানে সাংবাদিকতা থাকে না। লেখাটির উদ্দেশ্য, গণভবনে সংবাদ সম্মেলন। সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের জন্য তে সংসদই রয়েছে। সেখানে ৩০০ অবৈধ এমপি জি-হুজুরের ভূমিকা ভালোভাবেই পালন করছে। মহানপেশার মধ্যে এসব যুক্ত করা কি ঠিক? সাংবাদিকেরাই সাংবাদিকতার শত্রু হয়ে উঠছে। তারা কী আমেরিকার বিরোধিদলের ভূমিকা দেখছে না? ট্রাম্পের মূর্তি বানিয়ে পশ্চাদে লাথি মারছে কিন্তু কোন ধারাতেই জেলে যেতে হচ্ছে না। আমার অভিযোগটি ঢালাও নয়। বরাবারের মতোই কম্বোডিয়া ফেরত প্রেসকনফারেন্সের ভিডিও যতোবার দেখি, চোখে সাংবাদিকতার কুলখানি দেখি। সাংবাদিক সম্মেলনগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য, জিয়া পরিবারকে আক্রমণ। গুজবভিত্তিক প্রশ্নোত্তর পর্বে যে অভিযোগগুলো মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের নারী সাংবাদিকের, প্রমাণ করতে না পারলে, মহানপেশা ছেড়ে দেবেন কিনা! ৫০ নাকি ৫০০ কোটি কিংবা ১২ মিলিয়ন নাকি ১২ বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি… দলীয় সভা নয় বলেই যা-তা বলা যাবে না। ৭১এর সাংবাদিকের ভয়, বিশ্বনেত্রী হয়ে যাওয়ায় বিশ্বমিডিয়া নাকি তাকে কেড়ে নিয়েছে এবং দেশি মিডিয়া তাকে আর পাবে না। ব্যক্তির দেয়া টেলিভিশনের কারণেই এই প্রজন্মের সাংবাদিকরা করে খাচ্ছে। অন্যেরা প্রচার না করলেও ৭১ টিভি খালেদার দুর্নীতির খবর প্রচার করেছে বলে দলীয় কর্মীর সুরে গর্ব। সবচে’ বড় আপত্তি, যখন প্যারাডাইস পেপার্সে কোকো-তারেকের নাম এসেছে বলে দাবি করে নিজের টেলিভিশনেও প্রচারের ক্রেডিট নিলেন। ৭১
…read more

পোপ কী বললেন, কী বললেন না

December 14, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

অহিংস পরমধর্মের জনক গৌতমবুদ্ধই যখন পারলেন না, যীশু পারবেন কেন?  ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি পোপ উচ্চারণ করলেন কি করলেন না, একেবারেই মূল্যহীন। বুদ্ধের শিক্ষার উপর রক্ত ঢেলে দিয়ে এবং শান্তির নোবেল পেয়েও গণহত্যার প্রমাণ রেখে- প্রকৃতঅর্থেই যুদ্ধাপরাধের খাতায় নাম লেখালেন সুচি। ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ঢাকায় উচ্চারণের পরেই পোপের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে গেরুয়া ভিক্ষু এবং সাধারণ বর্মীরা। তাদের দাবি, রোহিঙ্গাদের ফেরত আসতে দেবে না। ভেবেছিলাম এই বিষয়ে আর লিখবো না কিন্তু দ্বিপক্ষীয় স্মারকের পর লিখতেই হলো। স্মারকটি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দ্বিপক্ষীয় ষড়যন্ত্র, প্রকৃতঅর্থেই যা- ভিকটিমদের মৌলিক অধিকার ফেরত পাওয়ার সকল দরজা বন্ধ করে দিলো। এর কিছুই মানতে বাধ্য নয় মিয়ানমার। এইচআরডাব্লিউ যার নাম দিয়েছে- স্ট্যান্ট অর্থাৎ ভাওতাবাজি (যুগান্তর ২৫ নভেম্বর)। জমিজমা কেড়ে নিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করে, প্রাথমিকভাবে ‘অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে’ রাখার নামে আসলেই ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের’ আদলে ব্যবস্থা এসব। রাখাইনে এখনো যাদেরকে ঘিরে রেখে ভাতে ও পানিতে মারছে, ফেরত নিয়ে সেইরকমই কিছু করবে। কারণ স্মারক থেকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ বাদ। স্মারকের চীফ আর্কিটেক চীন, এভাবেই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ থামিয়ে দিলো। কারণ প্রতিটি মুহূর্তেই এরা আন্তর্জাতিক মহলের চোখে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছিলো। লাখ লাখ শরণার্থীদের ঢুকতে দেওয়ার আগে বৈধ বিরোধিদলসহ সাধারণ মানুষ, কারো সঙ্গেই আলোচনা না করে, একাই সর্বনাশা সিদ্ধান্ত নিলো আওয়ামী লীগ!!! একটার পর একটা ভুল করবে তারা আর মাশুল দিতে থাকবে সাধারণ মানুষ? সকলেই জানে, আরাকানের ভূমিদখলই রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের
…read more

ইতিহাসবিকৃতিকারীরা কী বিএনপির স্বামী?

December 10, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

প্রকৃত ইতিহাসবিকৃতকারী ও স্বাধীনতাবিরোধি কারা? যে মুক্তিযোদ্ধা সম্মুখসমরে থেকে দেশ স্বাধীন করলো, তার দল কেন ইতিহাসবিকৃতকারী হবে? নাকি যারা লুকিয়ে ছিলো এ তাদেরই দৈনতা! স্বাধীনতাবিরোধিরা মুক্তিযুদ্ধকে এমন পর্যায়ে নিলো, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের লেশমাত্র নেই। ভয়-গুজবের অদ্ভুত মঞ্চ তৈরি করেছে, যার উপর দাঁড়িয়ে বুদ্ধিজীবিদের অধিকাংশই দালাল হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষেরা পক্ষবিপক্ষের রক্তারক্তিতে মেতে উঠেছে। ফলে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতিটি ইঞ্চিতে যে পচন ধরেছে, ৯ বছর আগে ছিলো না। একমাত্র স্বাধীনতাবিরোধিরাই ভোটের অধিকার চুরি করে বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকে। এমনকি ২০৫০ পর্যন্ত অগ্রিম প্রোগ্রামও দিচ্ছে। ৯ বছরে এই অপশক্তি যেন জানলা-দরজাবিহীন অন্ধকার কুঠুরি, যেখানে আলোর চি‎হ্ন নেই। আর একেই রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘রক্তকরবী।’ যে বিতর্কগুলো প্রাসঙ্গিক- ৭৪এ ১৯৫ জন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধিদেরকে মুক্তি দেয়ার ৪৩ বছর পর মুনতাসির মামুনদের মনে হলো, বিএনপিই ইতিহাসবিকৃতিকারী। এজন্য তাদেরকে আর কিছুতেই আর ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না (হায়রে ইতিহাসবিদ)! “১৬ ডিসেম্বরে ওসমানীর বদলে অরোরার সই?” গণহত্যার নায়ক ভুট্টোকে সঙ্গে করে ৭৪এ সাভারে শহীদদের বুকের উপর হেঁটে যাওয়ার প্রমাণ স্বয়ং তোফায়েল। ভুট্টো-টিক্কা খানের মতো গহত্যাকারীদের সঙ্গে করমর্দনের ভুড়িভুড়ি ছবি ইন্টারনেট থেকে লুকানো যাবে? ৪৬ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের তালিকা করার বদলে শহীদের সংখ্যার বিতর্ক জিইয়ে রেখে অন্যদের উপর দায় চাপাচ্ছে ইতিহাসবিকৃতির। একমাত্র স্বাধীনতাবিরোধিরাই বাকশাল আনে এবং পক্ষের শক্তি সেটা বিলুপ্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে। এটাই স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস। যে
…read more

নির্বাচনে যে বন্ধুত্ব অবাঞ্ছিত

November 23, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

বিপদেই বন্ধুর পরিচয় কিন্তু সামাজিক বন্ধুত্ব থেকে রাষ্ট্র আলাদা। বিপদে একমাত্র প্রতিবেশিরাই স্বার্থহীনভাবে ঝাপিয়ে পড়ে কিন্তু কোন রাষ্ট্রই তা করবে না। যেমন, সিরিয়া শেষ না হতেই যারা ইয়েমেন লন্ডভন্ড করছে, প্রত্যেকেই কোন না কোন জোটের বন্ধু। দিল্লির বন্ধুদের মধ্যে বাংলাদেশ নাকি ১ নম্বরে। অথচ এরাই অগণিতকাল তিস্তার পানি আটকে রেখেছে। জনমতের বিরুদ্ধে একটি পছন্দের দলের সঙ্গে রামপাল বানাতে গিয়ে সুন্দরবনসহ চিত্রা হরিণ থেকে চিতা বাঘ… প্রকৃতির বিরল সম্পদগুলোকে ডাইনোসরের মতো বিলুপ্তির ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশে মিডিয়ার বাজার খুলে নিজের দেশে আমাদের টেলিভিশন আজব্দি ঢুকতে দিলো না। অসম, অবাস্তব, স্বার্থবিরোধিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় না। বন্ধুত্বের সংজ্ঞা কী? এজন্যই আনন্দবাজার বলেছে, “৯০ ভাগ বাংলাদেশিরই ভারতবিরোধি সেন্টিমেন্ট।”   নির্বাচন:- সুজাতা মহাকাব্য শেষ, লিখবো মনস্তাত্বিক ব্যাখ্যা। খালেদা কেন বলেছিলেন, সাপকে বিশ্বাস করা যায় কিন্তু ওমুককে নয়! ক্ষমতাসীনদের খুঁটির জোর বোঝার সাধ্য দুর্ভাগা জাতির নেই। ২০০৭ সনেই টার্গেট- একটি বিশেষ দলকে ক্ষমতায় রাখতে, যুদ্ধাপরাধি এবং সন্ত্রাস বিতর্ক সামনে এনে, আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। এই কাজে সবার আগে বাংলাদেশিজাতিয়তাবাদি মনোজগতকে ধ্বংস করেছে। ইস্রায়েল-ফিলিস্তিনের মতো ঝগড়া বাঁধিয়ে রেখেছে যেন বিনা বাঁধায় যা খুশি করতে পারে। জোটের গুরুত্বপূর্ণ শরিক দলটিকে মূল দল থেকে বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে দেশবিরোধি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে- রুখে দাঁড়ানোর মতো শক্তিকে ধ্বংস করেছে। এই কারণেই ৫ জানুয়ারির ট্রিজন সম্ভব হয়েছে। এরা এরশাদেরও স্রষ্টা,
…read more

সক্রেটিসের গণতন্ত্রে ভাল্লুকের হাতে খন্তা

November 12, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

রোহিঙ্গা ক্রাইসিসটি হলো কতিপয় বিগপাওয়ার আর সুপারপাওয়ারদের সমন্বয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিত একটি সাকসেসফুল মাস্টার প্ল্যান। রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই নারী এবং শিশু। লাখ-লাখ মানুষ কতোকাল ঘেরাবেষ্টনির মধ্যে সীমিত থেকেও প্রতিক্রিয়াহীন থাকতে পারে? “জেলে থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত সত্ত্বেও কেউ কী জেলে থাকতে চায়?” পরবর্তীতে ছড়িয়ে পড়তে পারে ভয়ংকর রোগ-বালাই থেকে মহামারি। বেকারত্ব এবং হতাশা থেকে সৃষ্টি হতে পারে অরাজকতা, এমনকি সন্ত্রাসও। এজন্য ক্ষমতাসীনরা কতোটুকু দায়ী? এই পরিস্থিতি হবে, বহু আগেই জানার পরেও কোনরকম প্রস্তুতি না নিয়ে যা প্রমাণ করলো। -বন্ধু রাষ্ট্রের দোহাই দিয়ে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার আচরণে লিপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। -শক্তিপ্রদর্শনের ঘোরবিরোধি এবং ‘গণহত্যা’ শব্দটি উচ্চারণের বিরুদ্ধে হাইকমান্ড। -জাতিসংঘে বারবার চীন–রাশিয়ার ভেটোর বিরুদ্ধে সুনশান নিরবতা। যেসকল বন্ধু রাষ্ট্র সরাসরি পক্ষ নিলো, ভারত তাদের অন্যতম। তাসত্ত্বেও বন্ধুত্বের নামে এসব কী দেখছি? প্রয়োজন, ৭১এ ইন্দিরার মতো হাইকমান্ডেরও চীন–রাশিয়ায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ভেটোর বিরুদ্ধে অবস্থান জানিয়ে দেয়া। সবাইকেই কখনোই কেউই একইসঙ্গে খুশি করতে পারবে না। সেটা করতে গিয়েই বাংলাদেশের উপর একটার পর একটা ক্রাইসিসের সৃষ্টি করেই চলেছে ক্ষমতাসীনরা। রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের সমাধান আর ২০ দলকে হামলা-মামলা দিয়ে সিরাজ সিকদারের মতো দৌড়ের উপর রাখা এক নয়। বিরোধিদলকে যা খুশি করলেও কিচ্ছু হবে না। কিন্তু রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের জন্য যারা দায়ী, টায়রনদের বিরুদ্ধে টুশব্দটি করলেই ক্ষমতা থেকে আউট। ধারাবাহিকভাবে ২০৪১ পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখলেও রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের সমাধান ক্ষমতাসীনদের দিয়ে অসম্ভব। কারণ তাদের গোড়ায় গলদ। ক্রাইসিসের
…read more

রাজনীতিতে মিসির আলী

November 6, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

যে পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আয়োজন হচ্ছে, বেগম জিয়া কিছুতেই ক্ষমতায় যেতে পারবেন না। সুষমাদের বার্তা পরিষ্কার, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। কৌশলে আবারো হাসিনাকেই ক্ষমতায় রেখে এই দফায় এরশাদের সিটে খালেদাকে বসিয়ে ৫ জানুয়ারিকে শুদ্ধ করবে। অন্যথায় হামলা-মামলায় জর্জরিত নেত্রীর গন্তব্যস্থল কোথায়, সকলেই জানে। রহস্যমানব মিসির আলীতে যাওয়ার আগে নোবেলপ্রাপ্ত গেইমথিওরির উদাহরণটি প্রাসঙ্গিক। গাড়ি চুরির অপরাধে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর পুলিশের মনে হলো, এরা ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গেও যুক্ত। দুইজনকে আলাদা কক্ষে নিয়ে বললো- ১) ব্যাংক ডাকাতি এবং গাড়ি চুরি স্বীকার করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড। ২) একজন যদি ব্যাংক ডাকাতি স্বীকার করে, তাকে ১ বছরের কারাদণ্ড। যে করলো না, তাকে ১০ বছর। দুইজনের জন্যই নিরাপদ, ব্যাংক ডাকাতি অস্বীকার করে গাড়ি চুরির জন্য ২ বছরের সাজা। যেহেতু উভয়ের স্বীকারোক্তি গোপন, অন্যজনের ভয়ে এমনকিছু বললো, যেজন্য উভয় চোরের ১০ বছরের কারাদণ্ড হলো। দরকষাকষির জন্য পররাষ্ট্রনীতিতে গেইমথিওরির ব্যবহার অনিবার্য। উদাহরণস্বরূপ, স্টকের উর্ধগতি দেখে লোভের বশবর্তী হয়ে না বুঝেই শেয়ার কেনার ১ মাস পর মূল্য অর্ধেকে নামলে, কেঁদেকেটে বলবে, সর্বনাশ! কেন কিনেছিলাম? বিশেষ করে “মার্জিন ঋণ” নিয়ে স্টক কিনলে ক্রেতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্টক বিক্রি করার ক্ষমতা রাখে লগ্নিদানকারী প্রতিষ্ঠান। এর নাম “মার্জিন কল।” আর এই কলেই আটকে আছে দুইনেত্রীর রাজনীতি। যখন ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা, স্টক কিনছে, বিক্রি করছে মিসির আলী প্রভাবিত পররাষ্ট্রনীতি। প্রণববাবুর বহুল আলোচিত বই থেকে- “তখন
…read more

রোহিঙ্গাদের স্থায়ী করার চেষ্টার অন্তরালে

October 25, 2017 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

মাদার তেরেসা হওয়ার শতভাগ দায় বাংলাদেশিদের মাথায় চাপিয়ে, যারা রোহিঙ্গাদেরকে স্থায়ী করার চেষ্টা করছে! ক্রাইসিসের সঙ্গে ৭১এর কিছু বিষয় প্রাসঙ্গিক। সকলেই পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকতে চায়। ৭১এর ১ কোটি শরণার্থীর ৮০ ভাগ হিন্দু, শহীদদেরও ৮০ ভাগই হিন্দু। ৩ লক্ষ নাকি ৩০ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে যে বিভ্রান্তি, ১৯৭১ থেকে ২০১৭এর জরিপ অনুয়ায়ী (১৩.৫ মিলিয়ন বনাম ৭.৫) প্রায় ৬ মিলিয়ন হিন্দুর আজব্দি হদিশ হয়নি। ৭১এর শরণার্থী আমিও। দেখেছি, বারবার যুদ্ধ-দাঙ্গায় ক্লান্তরা অনেকেই নিরাপদ জীবনের সন্ধানে ভারতেই থেকে গেছে, এখনো যাচ্ছে। অনেকেই ফিরে এসে দখল না পেয়ে অথবা পানির দামে বেচতে বাধ্য হয়ে চলে গেছে। অন্যদিকে, ৪৬ বছরের পরিত্যাক্ত বিহারীদের অধিকাংশই স্বদেশে ফিরতে উদগ্রীব কিন্তু স্বদেশ তাদের ত্যাগ করেছে। আরাকান জুড়ে সুচির যে মহাপরিকল্পনা, হলাকস্টের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পই যার একমাত্র তুলনা…। জেনেশুনে কিছুতেই মৃত্যুর মুখে ফেরত যাবে না রোহিঙ্গারা। (দ্র: মানবজমিন ২৩ অক্টোবর, যুগান্তর ২২, রোহিঙ্গা সম্পর্কিত আর্টিকেল।) ফাইন প্রিণ্টগুলো পড়তে হবে। এতো বেশি মানবতা দেখাতে গিয়ে যে বিরাট ভুল, “ভুল নাকি অন্যকিছু?” মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের ইকোনোমিক ডেভলপমেন্টের কোনকিছুই সন্দেহ এবং ষড়যন্ত্রের বাইরে নয়। মনে হচ্ছে, ক্ষমতাসীন এবং পরাশক্তিরা মিলেমিশেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের পথের কাঁটা। প্রত্যাবর্তনকেই প্রায়রিটির বদলে ত্রাণ সহায়তাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে, সুচিকেই সমর্থন দিচ্ছে। আর ‘পাশে’ আছে বলে বন্ধু রাষ্ট্র সম্পর্কে জনগণকে ধোকা মারছে। প্রথমে বললো, ঢুকতে দেবে না। হঠাৎই ভাত ভাগাভাগি
…read more

তিউনিশিয়ার সুশীলসমাজের নোবেলের আয়নায় বাংলাদেশ

October 22, 2017 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

একমাত্র জাতীয়তাবাদি এবং বৈধ বিরোধিদল, আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। জনগণ মরণ ঘুমে। বাকি থাকলো সুশীলসমাজ যারা নাকি বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামী ইতিহাসের মাথামুড়ে ঘোল ঢেলে, এমনকি গলায় জুতোর মালাও পরিয়ে দিয়েছে। টকশো আর শহীমিনারের বাইরে কিছুতেই যাবে না। তাহলে গণতন্ত্র কী ফুরিয়ে গেছে? নাকি এক ব্যক্তির হাতেই গণতন্ত্রের শেষ বিছানা? এর মানে কী এই দেশে আর কোন বৈধ নির্বাচন হবে না? মনে হচ্ছে সেটাই। দেশ-বিদেশে নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন, বিশেষ করে হাইকমান্ডের যে মানসিকতা থেকে আগ্রাসী বক্তব্য, সেই পথেই যাচ্ছে নির্বাচন। তবে উত্তোরণের পথ খুঁজতেই তিউনিশিয়ার জেসমিন রেভ্যুলেশনে সুশীলসমাজের ভূমিকা এবং শান্তির নোবেল নিয়ে লেখাটি। নিউইয়র্কের গণমাধ্যমকে হাইকমান্ডের বক্তব্যের কিছু হাইলাইটস। “বিএনপির সঙ্গে কোন আলোচনা নয়। তারা কে যে, তাদের ছাড়া দেশ চলবে না? এমনকি কি ঠেকা পড়েছে, বিএনপিকে আনতে হবে?” ভোয়াকে, “যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, তারাই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করেছে। …মানুষ তার পছন্দমত লোককেই নির্বাচিত করবে, আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন্তসংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক ধারাটা আবার ফিরিয়ে এনেছি। নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে, মানুষ ভোট দিতে পারছে, এটা আমাদের অবদান। …আমরা যে কাজ করেছি, তাতে যদি জনগণ খুশি হয়, ভোট দেবে, না হলে দেবে না। … নির্বাচন অবশ্যই অবাধ নিরপেক্ষ হবে। তা না হলে বিএনপি কি জিততে পারতো? বিএনপির আমলে কেউ কি জিতেছে…?” সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে “বাংলাদেশি মাহাথির” বলেও সনাক্ত করে, সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষায়
…read more

পরিষ্কার পানিতেও মাছ শিকারে ব্যর্থ

September 25, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

  পরিস্থিতি সাপেক্ষে, গণতন্ত্র বলতে এখন একমাত্র বিএনপি। স্বশরীরে না থাকলেও, সংসদের বাইরে থেকেই অভিভাবকের মতো পাহারা দিচ্ছে। প্রতিটি অধিবেশনেই জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার তুলে প্রমাণ করছে, হিজড়া পার্টি নয়, বিএনপিই একমাত্র বিরোধিদল। নাহলে, সংসদের একটি বক্তব্যও পাবলিক খায় না, খবরেও মূল্য পায় না। গণতন্ত্রহীনতা থেকে বাঁচতেই জিয়া-পরিবারকে সংসদের মধ্যমণি করে পাবলিক হিউমিলিয়েশন থেকে রক্ষা। হাইকমান্ডের মুখে ক্ষমতার ধারবাহিকতার বিষয়টি বারবার মনে করিয়ে দেওয়ায়, ভবিষ্যতে আর কোনো বৈধ নির্বাচন না হওয়ার শতভাগ সম্ভাবনা। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি দলকে দূর করে দিয়ে যারা এভাবে ক্ষমতা হাতিয়ে নেয়, তখন জামায়েতের একটি কথাই মনে পড়ে। প্রতিবারই রায়ের আগে বলতো, ওমুক হলে আগুন জ্বলবে, আগুনে হাত দিলে হাত পুড়ে যাবে। আমরা খুশি, বিরাট ক্ষতি সত্ত্বেও আগুন জ্বালায়নি। তবে ঘোলা পানিতে শুধু মাছ শিকারই নয়, আগের চেয়ে পরের আগুন আরো তীব্র সত্ত্বেও, প্রতিবারই আগুনে হাত দিয়ে অক্ষত আওয়ামী লীগ প্রমাণ করলো- বিডিআর থেকে ১৬তম সংশোধনীর রায়, আগুনও তাদের কাছে পরাজিত। বিএনপি ভদ্রলোকের দল, পাল্টা জবাব দিতে লজ্জা পায়। সেইজন্যই যা খুশি বলে, যা মনে হয় করে ক্ষমতাসীনরা। অশ্লীল হলেও সমস্যা নেই। দলীয় ফোরামে হাইকমান্ডের বক্তব্যকে রেফারেন্স করে লেখাটি, ৯/৯/২০১৭ তারিখে ‘আমাদের সময়’সহ প্রায় সকল পত্রিকায় প্রকাশিত। “নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই নির্বাচন পরিচালনা করবে। আমরা সেটা নিশ্চিত করবো। এটা নিয়ে অহেতুক পানি ঘোলা করার চেষ্টা করা আর সংবিধান
…read more

এখন সিদ্ধান্ত জনগণের

September 10, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

ইসিকে বর্জন ছাড়া আর কোন অস্ত্র হাতে নেই। সর্বসম্মতিক্রমে রায়টি, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আগুনে ঘি। বৈধ এবং পরিপক্ক সংসদ ছাড়া কোন দেশ চলতে পারে না। এখন সিদ্ধান্ত জনগণের। লেখাটি তাদের জন্য যারা জেগে ঘুমায়। যারা হাত-পা বাঁধা বিএনপিকে সাঁতার প্রতিযোগিতায় বাধ্য করতে চায়। সংসদ অবৈধ হলে আইনের যুক্তি তুলে তর্কবিতর্ক করে কী লাভ? বিশেষ করে জোর করে যখন কেউ ক্ষমতায় থাকতে বদ্ধপরিকর। সরকার প্রধানে থেকেই নির্বাচন দিতে অনড়। সংবিধানকে বারবার ক্ষতবিক্ষত করতেও আইনের শাসনের পরোয়া করে না। সুতরাং ১৫তম সংশোধনীর উদ্দেশ্য পরিষ্কার। নিজের মতো করে ক্ষমতার রাস্তা বানানো। এই কাজে যাদেরকে ব্যবহার করেছে, অন্যতম প্রতিষ্ঠান জুডিশিয়ারি, যাদের মধ্যে খায়রুল হকের নাম সবার আগে। তাকে ব্যবহার করে, পরবর্তীতে নানান সুবিধা দিয়ে, আইনের যে ব্যত্যয় ঘটালো… এই রায়কেও ব্যর্থ হতে দিলে, দেশ থেকে গণতন্ত্রের চি‎হ্ন মুছে যাবে। যতোদিন না ৫ জানুয়ারির ষড়যন্ত্রের বিচার হবে, ভবিষ্যতে আর একটিও নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব। রায়ে পাকিস্তান প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, বাক্যগুলো নাকি এতোই জঘন্য যে উচ্চারণ করতেও ঘৃণা হয়। দেখা যাক। পাগলের চিকিৎসা করাতে প্রধান বিচারপতিকে সাংসদ মতিয়ার উপদেশ? সাবেক বিচারপতি মানিকের ঘোষণা, তাকে শুধু পদত্যাগই নয় দেশ ছাড়াও করবেন। শিল্পমন্ত্রী আমু তার রক্ত পরীক্ষা করতে চেয়ে বলেছেন, ফাইজলামির একটা সীমা আছে, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস আপনাকে কে দিলো? এরপরেও প্রধান বিচারপতিকে অপরিপক্ক
…read more