শহীদের তালিকা করে যে বীরপুরুষ

October 23, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সেই বীরপুরুষকেই চাইছি, যে নাকি হামলা-মামলার বদলে শহীদের তালিকা করে বেগম জিয়ার প্রশ্নের উত্তর দেবে। যে নাকি ৪৫ বছর পরেও অবহেলা আর দীর্ঘ আওয়ামী শাসনামল সত্ত্বেও, তালিকা না হওয়ার বিরুদ্ধে আদালতে গিয়ে, বাধ্য করবে রাষ্ট্রকে। যে নাকি চেতনা ব্যবসা আর মুক্তিযুদ্ধ মিউজিয়ামের সংখ্যার উর্ধে উঠে, আদালতের মাঠ ছেড়ে দিয়ে, ৫৬ হাজার বর্গমাইল ঘুরে, কাল্পনিক তালিকাটির মিমাংসা করে আদালতকে দিয়ে বলবে, আমিই সেই বীরপুরুষ। তা না করে যারাই মামলা-মোকদ্দমায় ডুবছে এবং ডোবাচ্ছে, সবকটাই কাপুরুষ। খালেদার প্রশ্নটি শুধুমাত্র সংখ্যাতেই সীমাবদ্ধ নয় বরং গোটা মুক্তিযুদ্ধকেই বিতর্কিত করার বিরুদ্ধে এখনই লাগাম টেনে ধরা। একের পর এক, যেভাবে কলুষিত করছে আওয়ামী লীগ, অগ্রহণযোগ্য এবং অসাংবিধানিক। অনেকেরই প্রশ্ন, কোন শতাব্দিতে তালিকাটির মিমাংসা হবে? প্রয়োজন স্থায়ী আর্কাইভ এবং ডাটাবেজসহ, হলাকস্ট মিউজিয়ামের মতো প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি শহীদের প্রাপ্য স্বীকৃতিসহ ইতিহাসের স্থায়ী অংশ হবে মিমাংসিত তালিকাটি। আমার আত্মীয়, বন্ধু এবং প্রতিবেশিদের মধ্যেও অনেকেই শহীদ। একজন শহীদ জায়ার নাম গীতা সাহা। মাত্র ২২ বছর বয়সে ৩ সন্তানসহ বিধবা। জীবনের কোন স্বাদই পায়নি। তার মতো অনেকেই নিরবে অপেক্ষার প্রহর গুণতে গুণতে নির্বংশ কিংবা নিঃশেষ হয়ে গেছে। মর্যাদা কিংবা ক্ষতিপূরণ কোনটাই নেই। যা হয়, মুখ চিনে। এর মানে হলো, মর্যাদা পেতে হলে আওয়ামী লীগ হতে হবে। কারণ আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, মুক্তিযুদ্ধ তাদের একচেটিয়া। শুধুমাত্র বেগম জিয়া নন, প্রশ্নটি সকলের। তাই মামলাও কোটি
…read more

বিএনপির কি টকশো বর্জন করা উচিত?

October 13, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

- প্রায় ৭০ ভাগ টকশোতেই বিএনপির উপসি’তিতে ভুল বার্তা পাচ্ছে মানুষ। বিএনপি আর সমমনা আলোচকেরা এক নয়। বিএনপিকে টিভি পর্দায় রেখে, দেখাতে পারছে, সরকার বৈধ। প্রশাসন, অর্থনীতি, মানবাধিকার, আইনের শাসন, জুডিশিয়ারি… সর্বত্রই বিরাজমান সি’তিশীলতা। দেশি-বিদেশিরা জানছে, নির্বাচন হয়নি সত্ত্বেও কোনরকম অসি’তিশীলতা নেই। আন্দোলন নেই। যা কিছু করছে সবকিছুতেই জনগণের ম্যান্ডেট। – কৌশলে সংসদ থেকে বের করে, টেলিভিশনের পর্দায় রেখে বিএনপির অভাব পূরণ করছে। মানুষ দেখছে, ‘জাতিয়’ সংসদে না থাকলেও, ‘বিকল্প’ সংসদে আছে। আর এই কাজে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে বিএনপি। – ‘‘ভিজিটিং কার্ড” সর্বস্ব বিরোধিনেতা আর ৫ জানুয়ারির সংসদ পৃথিবীতে ১টাই। বিএনপিকে পর্দায় ঘন ঘন দেখিয়ে প্রচার করছে, গণতন্ত্র আছে বলেই সরকারের সমালোচনা করছে। ওয়াশিংটনে হাইকমান্ডও এই ইঙ্গিতই দিলেন, ‘‘দেশে বাকস্বাধীনতা আছে।” মানুষের কাজ শুধুই বিশ্বাস করা। বিশ্বাস তারা করছে। এই কাজে বিএনপির অবদান ১ নম্বরে। – ১০ম সংসদ অনির্বাচিত। বাধ্য হয়ে বিএনপিকে টকশোতে হাজির করে, দেশ-বিদেশে প্রমাণ করছে, দুধের স্বাদ ঘোলেই মেটাও। ঘোলই বা কম কি? ওটাও তো দুধের মতোই সাদা। আর এই ফাঁদেই পা দিয়েছে বিএনপি। – যেন আওয়ামী আলোচকদের হাতে ধরা খেতেই আসে। নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরে যায়। প্রতিবারই প্রমাণ হয়, সকলেই ভুল, একমাত্র আওয়ামী লীগই নির্ভুল। ফিনানশিয়াল ক্রাইম, মানবতাবিরোধি ট্রাইব্যুনাল, রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, কুইকরেন্টাল, প্রশাসন, মানবাধিকার, সংবিধান… ক্রাইসিসের পর ক্রাইসিস। কিন্তু টকশোতে আসার সময় কণ্ঠযন্ত্রটিকে
…read more

বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য দায়ী কবর-পদক

October 3, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

‘লুই কানের’ নকশার যুক্তি খাড়া না করাতে পারলে, বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য জিয়ার কবরকে দায়ী করে সেটাকে প্রমাণ করানো, আওয়ামী লীগের পক্ষে রকিবউদ্দিনের অধীনে শতভাগ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মতোই সহজ। শিরোমানটির যোগ্যতা অর্জনে যে দুই ধরনের উদাহরণ দিচ্ছি, গণতন্ত্র নেই বলেই সম্ভব হয়েছে। ১ম- ৫ জানুয়ারির সরকারকে বিশ্বের কাছে শুধু বৈধ করেই তোলেনি, ২০৪১ পর্যন্ত ক্ষমতার টার্গেটও অর্জন করে ফেলেছে। জিয়ার শাসনামলকে অবৈধ করা সত্ত্বেও তার আনা ঝামেলাগুলোকে বৈধতা দিয়ে ১৫তম সংশোধনী সম্পন্ন করলেন খায়রুল হক টিম। অর্থাৎ ধর্মভিত্তিক রাজনীতি, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম, বহুদলীয় গণতন্ত্র ইত্যাদি। রাষ্ট্রধর্ম এবং ধর্মনিরপেক্ষতা একই সংবিধানে রেখে, একই রোগির শরীরে পজেটিভ এবং নেগেটিভ রক্ত ঢোকানোর সমান। এতে খিচুনি হবেই, সেটাই হচ্ছে। এমনকি মার্কিন এটর্ণি জেনারেলও এর কোন ব্যাখ্যা করতে পারবেন না। ২য়- ৯ বছর ধরেই হাইকমান্ডের প্রায় প্রতিটি সিদ্ধান্তের সঙ্গেই দাতাগোষ্ঠির দ্বিমত সত্ত্বেও কিছুই করতে পারেনি। বরং হিলারি-কেরিকেও ভর্ৎসনা করার উল্লাস। প্রশ্নবিদ্ধ বিচার নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলে একটি ফাঁসিও বন্ধ করতে পারেনি যারা, তাদের বেলায় এই দৃষ্টান্ত বিরল। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ইউনেস্কোর আপত্তি সত্ত্বেও রামপাল হবেই। হাতকড়া পড়া অবস্থায় ‘ক্রসফায়ারে’ ফাহিমের মৃত্যুর পর ডিকশনারিতে তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম, কিন্তু ক্রসফায়ারের অর্থ উভয়পক্ষই যখন গুলি ছোঁড়ে। নির্বাচিত সরকার হলে, এরকম হাজারো প্রশ্নের উত্তর এমনকি আমাদের এটর্ণি জেনালেরও দিতে পারতেন না। নকশা অনুযায়ী ভবন হয়নি, এমন সংখ্যা কতো? দৃশ্যমান
…read more

লাশের মিছিলে মুনাফার হাসি

September 22, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

‘শ্রমিক’ বলতে শুধু গার্মেন্টসই নয়, বরং সবধরনের পণ্যই বিদেশে যায়। সকল শ্রমিকই এই সংজ্ঞার আওতাভুক্ত। লাশের মিছিল দেখেছে অনেকেই কিন্তু মুনাফার হাসি দেখেছে কয়জন? হাসির নাম- রানাপ্লাজা…। কিন্তু নজিরবিহীন দুর্ঘটনা সত্ত্বেও ট্যাম্পাকোর ঘটনায় আবারো প্রমাণ, মুনাফাই সব। যেন কফিন ভর্তি করে পরকালে সবকিছুই নিয়ে যাবে। ১০টা রানাপ্লাজা আর তাজরিনের ঘটনা সত্ত্বেও অপ্রতিরোধ্য ওরা। ওরা বলতে, দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ী সমাজ। উক্ত দিবসগুলোতে রাষ্ট্রের নিরবতা এবং শ্রমিক নেতাদের দায়সারা কর্মকান্ডেই প্রমাণ, এইধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে, হৈচৈয়ের কিছু নেই, লাশ প্রতি কিছু দিলেই চলবে। রানাপ্লাজা এবং তাজরিনের ঘটনা খুব কাছে থেকে দেখেছি। অনেকের ঘরেই হাড়, আইডি, কোম্পানির লেবেল। সস্তা শ্রমের অপব্যবহার এবং অমানবিকতায়, অদম্য বাংলাদেশ। তাজরিন্তরানাপ্লাজার ঘটনাকে পরিকল্পিত ‘গণহত্যা’ বলা যায়। এখানে টার্গেট, নিম্ন মূল্যের শ্রমজীবিরা। এতো বছর পরেও সোহেল রানা এবং দেলোয়ারের মতো রাজনৈতিক সুবিধাভোগিদের বেলায় কাঠগড়ার চেহারা না দেখাই স্বাভাবিক। কিন্তু নির্বাহী আদেশে কাদের বিরুদ্ধে সর্বক্ষমতা প্রয়োগ? বাংলাদেশের কর্মপরিবেশ, তৃতীয় বিশ্বের যে কোন দেশের তুলনায় বিপদজ্জনক হওয়ার প্রমাণ আবারো দেখালো। যতোই দিন যাচ্ছে, লাশের মিছিলের সঙ্গে মুনাফার হাসিও গভীর হচ্ছে। সবচে’ বিপদজ্জনক, যারাই শ্রমিকদেরকে রক্ষা করবে, তারাই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বলছি, কনফ্লিক্ট ইন্টারেস্টের কুশিলব, আইন প্রণেতা ব্যবসায়ীদের কথা। ব্যবসায় সুশৃংখলতা আনলে, তাদের ঘরেই আগুন। দেশি-বিদেশি উভয়পক্ষই জানে, বারবার দুর্ঘটনার কারণ। বিল্ডিং কোড ভঙ্গের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র এবং এক্টিভিস্ট, উভয়পক্ষই ড্যামকেয়ার। সব জেনেই
…read more

স্যরি খন্দকার মাহবুব, একমত নই

September 8, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

নর্মদায় সৌরবিদ্যুত প্রকল্পের বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ কৃষকের ভূমিরক্ষা আন্দোলনে ব্যর্থ অরুন্ধুতি রায় বলেছিলেন, “আদালত হচ্ছে সরকারের পেটিকোট।” আমি সেই পথেই যাবো না। বরং সন্দেহাতীত প্রমাণ হাতে, জোটের আইনজীবিরা করছেনটা কি? এতো রায় বিপক্ষে যাচ্ছে কিভাবে? গণহত্যা নয়, প্রশ্ন, বাদিপক্ষের- মোটিভ। প্রতিটি মামলাতেই ডিফেন্সটিমের অনীহা দুর্বিসহ। ভিকটিমদের জীবনেও- মহাদুর্যোগ। বিবাদিরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ায়, আদালতের পক্ষে সন্দেহাতীত বিচার প্রায় অসম্ভব হওয়াই স্বাভাবিক। তবে বিরোধিপক্ষের আইনজীবিদের নিস্ক্রিয়তায় মিসট্রায়ালের বহুসুযোগ হাতছাড়া। খন্দকার মাহবুবরা শুধু আইনজীবিই নন, পদপদবী প্রাপ্ত রাজনৈতিক নেতা ও এক্টিভিস্টও। আদালতের বাইরে এক্টিভিজম চলতে পারতো। আইনজীবিরা জানেন, কি বললে, রাষ্ট্রদ্রোহিতা, কোনটা নয়। আফ্রিকায় তরুণ গান্ধি শুরু করেছিলেন, একটি ব্রিটিশ পাসপোর্ট পোড়ানো দিয়ে। বিরোধিশিবিরের ঘর পুড়ছে কিন্তু নেরোর ভেক ধরেছেন আইনজীবিরা। রাষ্ট্র যদি সন্দেহাতীত প্রমাণের ভিত্তিতে ফাঁসি দেয়, আইনজীবিদের দায়িত্ব সেটা মেনে নেয়া। নতুবা ব্যত্যয়গুলোকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরা, যা তারা এড়িযে গেছেন। মৃত্যু পরিবর্তযোগ্য নয়। বিচার সন্দেহাতীত হলে, আইসিসিভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিটি বিচারের পরেই যে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, দেখাতো না। এদের অন্যতম- জন কেরি, বান কি মুন, নাভি পিল্লাই, ব্রাড এ্যাডামস, ইইউ…। তবু প্রতিটি প্রতিক্রিয়াই নাকচ করে, ফাঁসি দিয়েই চলেছে বাদিপক্ষ। বিষয়টি সন্দেহাতীত বিচারের বিরুদ্ধে। কম্যুনিস্ট নয় এটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। অকার্যকর সত্বেও সংবিধান এবং পার্লামেন্ট দুটোই বহাল। “তদবিরে কাজ হবে না, যুদ্ধাপরাধিদের বিচার বন্ধ হবে না” -২৫ আগষ্ট নির্বাহীর এই বক্তব্য পুরানো। কিন্তু কথাগুলো
…read more

৫ জানুয়ারির ফ্রাঙ্কেনস্টাইন – বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

August 21, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

১০ম সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে, আইনের ভারসাম্যহীনতা এবং প্রচন্ড রাজনৈতিক শূন্যতা বিষয়ে, প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একে পাশ কাটিয়ে, অন্য কিছুতেই সারবে না। আইনের ভারসাম্যতাকে সঠিকপথে রাখার দায়িত্ব সাধারণ নাগরিকদের নয়। ১ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে পর্যবেক্ষণটি এইরকম- অবসর গ্রহণের পর বিচারপতিদের শপথ বহাল না থাকায়, রায় পর্যালোচনা, লেখা কিংবা সই করার অধিকার থাকে না। আদালতের দলিল সরকারি হওয়ায় নিজের কাছে রাখতে পারবেন না। বিচারকগণ যেন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যতে এমন বেআইনী কাজ থেকে বিরত থাকেন। আইনের স্ববিরোধিতাই লেখাটির মূল বিষয়। বিচারপতি হয়ে বিচারপতিদেরকে বেআইনী কাজ না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি। স্কাইপ কেলেংকারি প্রসঙ্গ এখানে তুলছি না। কিন্তু আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এতো গুরুত্বহীন হলো কখন? ১৩তম সংশোধনী বাতিলের পুরো প্রক্রিয়াই স্ববিরোধি এবং বেআইনী হওয়ার প্রমাণ, ওই বক্তব্যে। সংক্ষিপ্ত রায়ের ২টি নিদের্শনা। ১) ১৩তম সংশোধনী অসাংবিধানিক এবং বাতিল। ২) এর অধীনেই ১০ম ও ১১তম সংসদ নির্বাচন হতে পারে। আদালত নিজেই আইনকে বাতিল করে, বাতিল আইনেই নির্বাচনের রায় দিলেন। তাহলে তো বেআইনকেই আইন বলতে হয়। প্রধান বিচারপতি যে মূলত খায়রুল হককেই ইঙ্গিত করেছিলেন, সেটা পরিষ্কার। ২০১১এর পুরো মে মাস জুড়ে সংক্ষিপ্ত রায় ঘিরে ৯ম সংসদে অবিশ্বাস্য ঘটনা। সুবিধামত রায় বেছে নিতে গেলে, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সংসদে। রায়ের বিরুদ্ধে করা আপীলে শীর্ষস্থানীয় আইনজীবিদের প্রায় সকলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে মত দিলেও, ব্যক্তির ইচ্ছায়, ৯০
…read more

মৃত্যু উপতক্যায় দাঁড়ানো পথহারার উল্লাস

August 1, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

একমাত্র ভারত-ভূটান ছাড়া প্রতিটি পর্যবেক্ষক দেশ কেন ১০ সংসদ নির্বাচন বাতিল করেছিলো এবং ভবিষ্যতেও কিভাবে নির্বাচনগুলো কব্জা করবে, আওয়ামী লীগের দিকেই বুদ্ধিজীবিদের বারবার আঙুল তোলার কথা। এগিয়ে যাচ্ছে ১১তম সংসদ কব্জার ব্লুপ্রিণ্ট। যথাক্রমে নিশা দেশাই আর হর্ষবর্ধনের সফল মোলাকাত। এরশাদের ভারত সফর সম্পন্ন। জঙ্গি দমন সাফল্যে অনির্বাচিতদের দাবিতে বিদেশিরা খুশি। নির্বাচনে তারেক অযোগ্য হয়েছে। খালেদাও সেই পথে। ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ কুলাঙ্গার এরশাদের আমেরিকা ভ্রমণে বিএনপিকে ছাড়াই ১১তম সংসদ নির্বাচন এবং বিদেশিদের বৈধতা পাওয়ার ঘোষণা। এমাজ স্যারের বক্তব্যে হতাশ। জাতীয় ঐক্যের প্রস্তাবকে নরওয়েতে মার্শ’লর মতোই আশ্চর্য মনে করি। ১ জুলাই দ্যা গার্ডিয়ানের লেখাটি অবশ্যই তাদের গভীর পর্যবেক্ষণ কিন্তু পাত্তা দিলো না ২০ দল। লিখেছে, জঙ্গি ইস্যুকে পুঁজি করে বিরোধিদল দমন করছে সরকার। নেপাল কিংবা ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীরা পদত্যাগ করতেই পারেন, কারণ তাদের আছে অনাস্থা ভোটের লজ্জা। আমাদের তো নির্বাচিত পার্লামেন্টই নেই। তারপরেও যদি এমাজ স্যারেরা মনে করেন, একটি দলকে ছাটলেই জাতীয় ঐক্যের গ্যারান্টি, হোক। তবে দূর থেকে, মৃত্যু উপতক্যায় দাঁড়ানো ২০ দলের রাজনৈতিক আত্মহত্যার মহড়া দেখছি আমি। ১৪ দল লিখিত দিক, উক্ত দলটিকে বাদ দিলে শর্তহীন আলোচনা শেষে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে। আওয়ামী লীগকে বিশ্বাস করবো কেন? তাদের রাজনৈতিক পতনের লম্বা ফিরিস্তি। বরং ঐক্যের চিন্তা বাদ দিয়ে, এতোদিনে রাস্তায় নামলে, মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন আসতে পারতো। ৭ বছর ধরে ২০ দলের এক্টিভিজমহীনতাই, রাজনৈতিক মৃত্যুর
…read more

বুশের ইরাক যুদ্ধ – দিল্লির পছন্দ আওয়ামী লীগ

June 13, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সন্ত্রাস হবে নিজের ভেতরের অমানুষগুলোকে উপড়ে ফেলতে কিন্তু আমরা ধ্বংস করছি মনুষ্যত্বের শেষ রক্তবিন্দু। বুশের ইরাক যুদ্ধ, ডাব্লুউএমডি নাটক, সাদ্দামের ফাঁসি, সবকিছুই বুশের ষড়যন্ত্র বলে প্রমাণ হয়েছে। ততোদিনে ইরাক ধ্বংস হয়েছে, বিশ্ব প্রেক্ষাপটে সন্তাস ঢুকে গেছে, আমেরিকা কলংকিত, বুশ একঘরে, লন্ডভন্ড মধ্যপ্রাচ্য…। সাংবাদিক সম্মেলনে বুশের গালে ইরাকী সাংবাদিকের জুতা নিক্ষেপ, গণহত্যার জন্য বিচার দাবি। ইরাক যুদ্ধের আগে আমেরিকাকে কেউ এতো ঘৃণা করতো? কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টই বুশের ভাগ্য ভোগ করেনি। বুশের ষড়যন্ত্র পুরো পৃথিবীটাকেই লন্ডভন্ড করলো। মাটি ফুঁড়ে বের হয়নি ইসলামিক স্টেট। আজকাল জনমনে প্রশ্ন, বাংলাদেশটা কি দখল হয়ে গেছে? রামমাধবদের উত্তর, জোর করে নিতে চাই না তবে সমঝোতার ভিত্তিতে হতেই পারে। বুশের ইরাক যুদ্ধের মতোই ৫ জানুয়ারিতে দিল্লির হস্তক্ষেপও পার্থক্য করা যাবে না। তখন থেকেই অপপ্রচার, ২০ দল নাকি সন্ত্রাস এবং পরোক্ষ-প্রত্যক্ষ যুদ্ধ ঘোষণা। ইরাক যুদ্ধের চরম পরিণতি সত্ত্বেও, ৫ জানুয়ারির গণতন্ত্র হত্যাকারিদেরকে উজার করে দিচ্ছি। ওদের কারণেই এদেশে ভয়াবহ রাজনৈতিক শূন্যতা। ইরাক-আফগানের মতোই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলো হামলে পড়ে, ইচ্ছামত লুটপাট করছে। দিল্লির আওয়ামী পুঁজা আর বুশের ইরাক মিশন, সমার্থক। ব্যর্থ হয়েছে ডাব্লুউএমডি প্রোপাগান্ডা, ৫ জানুয়ারি সফল। ভয়াবহ রাজনৈতিক শূন্যতা মধ্যপ্রাচ্যের সমান বিপদ ডেকে এনেছে। শুরু হয়েছে গুপ্তহত্যা, ঢুকে পড়েছে ইসলামিক স্টেট। এদেশ ফালুজা-পালমিরা হবে কিনা, সময় বলবে। তবে ১০ম পার্লামেন্টের মতো অশ্বডিম্ব নির্বাচন, শুধুমাত্র দিল্লির প্রয়োজনে। বুশের ইরাক ম্যাসাকার থেকে
…read more

বাংলাদেশে “আইএস” ঢুকলে দায়ী থাকবে ভারত

June 1, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

১৯৩৯ সনে নাৎসীদের উদ্দেশে ফিউরা, “যাকিছু গুরুত্বপূর্ণ, সত্যের জন্য নয় বরং বিজয়।”এক ব্যক্তির প্রয়োজন, কারণ কিংবা প্রেক্ষাপট অন্য ব্যক্তির নাও হতে পারে কিন্তু জোর করে চাপিয়ে দিলে যা হয়, সেটাই হলাকস্ট। জার্মানকে বিশ্বের সবচে’ উন্নত এবং আর্যদেরকে সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি বানাতে, ফিউরার যে গণহত্যা, নাগাসাকি-হিরোশিমায় বোমা ফেলতে বাধ্য হয়েছিলো মিত্রপক্ষ, বিশ্বযুদ্ধ শেষ। দেশবিভাগের পর আমার পরিবারও যদি ভারতে চলে যেতো, বাংলাদেশকে মধ্যপ্রাচ্যের মতো অস্থিতিশীল করার দায়ে দিল্লির বিরুদ্ধে সাংঘাতিক অভিযোগের যোগ্যতা কিংবা ভিত্তি কোনটাই থাকতো না। ৬৯ বছর ধরেই এই অঞ্চলে দিল্লির ভ্রষ্ট পররাষ্ট্র এবং সীমান্ত নীতির কারণেই, দেশত্যাগ এবং শত্রুসম্পত্তির দৃষ্টান্ত, যাকে সম্পদ বলবো না বরং মানব সভ্যতার অভিশাপ। এখন চলছে ‘ক’-‘খ’ তফসিল নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে শত্রু করে তোলার প্রক্রিয়া। যে পথে হাঁটছে রাষ্ট্র, সমাধানের বদলে বিপর্যয় অনিবার্য। ২০০,০০০ স্কয়ারফুটের রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে সল্টলেক কিংবা দণ্ডকারণ্য, সর্বত্রই দেশবিভাগের কালো ছাপ! ৪৭এর পর থেকেই ১৮০০ মাইল দূরত্বে দুটি মুসলিম প্রধান দেশের সঙ্গে ভারতের দুইরকম সীমান্ত নীতি? অন্যথায় ৬৯ বছরে ২ লক্ষ একরের বেশি শত্রুসম্পত্তি এবং লক্ষ লক্ষ দেশত্যাগির বিষয়টি, ইন্দিরা-মুজিব আমলেই নিস্পত্তি হতে পারতো। বরং ভারতীয় সংখ্যালঘুরা ৮ ভাগ থেকে প্রায় ১৮এর বেশি এবং সমাজ ও রাজনীতিতেও দারুণ প্রভাবের দৃষ্টান্ত, কোনক্রমেই এই পাড়ের সঙ্গে মেলে না। বরং দিল্লি বন্ধু মনে করলেও, আওয়ামী লীগ আমলেই অত্যাচার বাড়ে। অন্যথায় ৭১এর পরেই মাইগ্রেশন
…read more

বিধ্বস্ত জামায়েত-তথ্যমন্ত্রীর গণতন্ত্র আবিষ্কার

May 26, 2016 in Article & Essays, Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

বিধ্বস্ত জামায়েতের সুদিন ফেরাতে কি নিষ্ক্রিয় বিএনপিকে লাগবে? পাবলিক মনে করে আওয়ামী লীগ একাই যথেষ্ট। এশিয়ার সর্ববৃহৎ জেলখানা বানানোর আগে, বাংলাদেশকে কলংকমুক্ত করার আগে, ভারতকে সবচে’ বড় উন্নতির পার্টনার করার আগে, আওয়ামী লীগ কি একবারও পাবলিক সেন্টিমেন্ট আমলে নিয়েছিলো? কেন বারবার সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র হয়… স্যোসাল মিডিয়ায় এতো রক্তক্ষরণ… কেন নিউইয়র্ক টাইমস্‌ এতোবার সম্পাদকীয় লিখলো! কাটুনিস্টদেরকে যাবজ্জীবন দিলেই ক্যান্সার সারবে না, মলম বাদ দিয়ে কেমোথেরাপি দরকার। অনেকেই আমার পরিবর্তনকে জামায়েতের লবিস্ট বলে সমালোচনা করে। হলে, ব্যারিস্টার মইনুল, বঙ্গবীর কিংবা গোলাম মাওলাও তাই। সরকারের এহেন আচরণে দারুণ পাবলিক সিমপেথি উপভোগ করছে বিধ্বস্ত জামায়েত। যারা মনে করে মানুষ হতে হলে দল লাগে, অতীত-বর্তমান কোনটাই নেই, ভবিষ্যতের তো প্রশ্নই ওঠে না। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বাত্তায়ন টিকিয়ে রেখে, টিকে আছে নিজেরা। বরং দুর্বাত্তায়নের বাইরে এসে নিজের চেষ্টায় কোটিপতি হলে অভিনন্দন। যতোদিন পর্যন্ত রাজনীতর চোখে পৃথিবী দেখবে, পরিবর্তন অসম্ভব। প্রতিটি মানুষের কাছেই কিছু শেখার আছে। তবে ব্যক্তিপূঁজকদের পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই পত্রিকার প্রথম থেকে শেষ পাতার খবর, ১০ বছর ধরেই এক জায়গায়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম তুলে সাপের গর্তে পা দিয়েও ভীত নই। ট্রাইব্যুনালের সমালোচনা করে বলেছিলাম, ১৯ বছরের কেউ যদি গণধর্ষণে নামে তাহলে ওই এলাকার ঘরে ঘরে যতো ধর্ষিতা আর যুদ্ধশিশু… আন্তর্জাতিক বিচারের আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সবাইকে ট্রাইব্যুনালে আনা হোক। তারপরেও সুখরঞ্জন বালির ঘটনা ঘটেছে এবং
…read more