অপারেশন মাইনোরিটি – সংখ্যালঘু নির্যাতনে কার কী অবদান : ১

April 7, 2014 in Vested properties

আসুন বর্তমান অবস্থা স্বীকার করি। ভালো মানুষের জন্য কারাগার, সুস্থদের জন্য সিএমএইচ, বাকিদের জন্য সংসদ। মহামতি লেনিন বলেছেন, ‘সংসদ হচ্ছে শুয়োরের খোয়াড়।’ সমাজতন্ত্রের অভিভাবকেরা গণতন্ত্র ঘৃণা করতেন সঙ্গত কারণেই। ভাত চুরির চেয়ে ভোটাধিকার চুরি অধিকতর অপরাধ। আর ভোটারবিহীন নির্বাচনের কারণে তিন মুণ্ডুর যে মহাতাণ্ডব, সে কোড ভাঙতেই লেখাটি।  যুগে যুগে দানব এসেছে ভিন্ন ভিন্নরূপে। কখনো নিক্সনের ‘অপারেশন ব্রেকফাস্ট’, কখনো বুশের ‘ডেজার্ট স্টর্ম’, আবার পাকিস্তানিদের ‘অপারেশন সার্চলাইট’…। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের মতো দুই দানবের সত্য-মিথ্যা আমলে নেয়ার পরেই শুধু নাম দিলাম- ‘অপারেশন মাইনোরিটি’। একটি দলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ধরে রাখার জন্য সংখ্যালঘু কার্ডটি লাইফ সাপোর্টের মতো জরুরি কেন, বোঝার জন্য আইনস্টাইন হওয়ার দরকার নেই। সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে প্রমাণ হয়, হিন্দুদের কোনো শত্র“ লাগে না, কারণ এরা এদের তিন শত্র“ অর্থাৎ ‘ভারতপ্রীতি, আওয়ামী নির্ভরতা, মেরুদণ্ডের অভাব’, একটিও বুঝতে অম। ইতিহাস সাক্ষী, তিন শত্রুই এই ভূখণ্ডে তাদের টিকে থাকার প্রধান অন্তরায়। নিজেদের ওপর ন্যূনতম বিশ্বাসটুকু পর্যন্ত নেই। যত দিন না ৬৭ বছর বয়েসী নাবালকেরা মায়ের আঁচল ছেড়ে সাবালক হবে, তত দিন পর্যন্ত সংখ্যালঘু অসুখের জন্য দায়ী থাকবে মূলত নিজেরাই। এই দাগে ভারতের হস্তপে এমন পর্যায়ে, আওয়ামী লীগ আরো ২৫ বছর মতায় না থাকলে এত বড় ঔপনিবেশিক কার্যক্রম কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। এ জন্য সংখ্যালঘুরা কী মাশুল দিচ্ছে, পরোয়া করে না দিল্লি। অতীতেও করেনি নেহরু
…read more

অপারেশন মাইনোরিটি – সংখ্যালঘু নির্যাতনে কার কী অবদান : ২

February 6, 2014 in Vested properties

  অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে প্রফেসর বারাকাতের বই বইটি যদিও খালেদাকে ঘায়েল করতেই লেখা, বাস্তবে হিতে-বিপরীত। পরিসংখানে আওয়ামী পকেটে যত বিলিয়ন ডলারের অর্পিত সম্পত্তি, এরপর সংখ্যালঘু নির্যাতন একা জোটের আপদ নয়। আওয়ামী সরকারের পেয়ারের মানুষ প্রফেসর বারাকাতের নেতৃত্বে অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে লেখা বইটি তাদের মুখেই চুনকালি। শত্র“ বুঝি, কিন্তু যারা লুটপাট করে তারা কী করে বন্ধু হয়! লিখেছেন, ‘১৯৬৫ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ৮০ ল সংখ্যালঘু পরিবার সরাসরি অর্পিত সম্পত্তির মাধ্যমে তিগ্রস্ত হয়েছে। ২৬ লাখ একর সম্পত্তি তাদের হাতছাড়া হয়েছে যার মূল্য বাংলাদেশের ২০০৭-এর জিডিপির প্রায় ৭৫ ভাগ।’ পরিসংখ্যান অনুযায়ী জামায়াত ও জাতীয় পার্টি খেয়েছে ১৪ ভাগ, তাহলে বাকি ৮৬ ভাগ কার পেটে? এরপরও আত্মশুদ্ধি আর এক্টিভিজম ছাড়া এই ভূখণ্ডের হিন্দুরা বেশি দিন টিকতে পারবে না। ওয়ালস্ট্রিটের জনপ্রিয় উক্তি, ‘টাকার বিষয়ে বন্ধু নেই’। বারাকাত লিখেছেন, ‘মাইগ্রেশন না হলে ৭১-এ হিন্দু জনসংখ্যা ৯.৬ মিলিয়নের বদলে ১১.৪ মিলিয়ন হতো। ১৯৮১-তে ১ কোটি ৬ লাখের বদলে ১ কোটি ৪৩ লাখ হতো, ১৯৯১-তে ১১.২ মিলিয়নের বদলে ১ কোটি ৬৫ লাখ, ২০০১ সালে ১ কোটি ৪ লাখের বদলে ১ কোটি ৯৫ লাখ। ১৯৬৪ থেকে ২০০১ পর্যন্ত হারিয়ে যাওয়া হিন্দুর সংখ্যা ৮০ লরে বেশি।’ অর্থাৎ দেশ স্বাধীন হলো; কিন্তু মাইগ্রেশন থামল না। সুতরাং ’৭২-এর সংবিধান অনুযায়ী ধর্মনিরপে বাংলাদেশ, পরে অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপে বাংলাদেশ কায়েমে শেখ হাসিনার এই মাপের
…read more