অফসোর ব্যাংক, কেনেডিতে বিমান বাংলাদেশ বনাম স্যাটেলাইট

June 2, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

১) দুই লাখ কোটি টাকা চুরি। ২) স্যাটেলাইটের মালিকানা দুই ব্যক্তির হাতে। পরিচয় গোপন রেখে, যাদের আন্ডারগ্রাউন্ড ক্রাইম এন্টারপ্রাইজের দিকে ইঙ্গিত করলেন, আশাবাদিখ্যাত মহাসচিব। প্রয়োজনীয় সমালোচনাগুলো ৫ জানুয়ারির আগেই বেশি বেশি ঝেড়ে কাশলে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য হতো। কবিগুরু যথার্থই বলেছেন, “কোনকিছুই না বলে অনেক কথাই বলা যায়। ফকরুলরা অতিমাত্রায় অন্যের করুণার উপর নির্ভরশীল হওয়ায়, বিএনপি প্রায় নির্বংশের পথে।” আজব্দি আমার অনুমান খুব কমই ভুল হয়েছে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের দুই ব্যক্তির অসীম ক্ষমতা এবং বিশাল পোর্টফলিও তাদেরকে করেছে বিশ্বখ্যাত। এমন কোন দুর্নীতি নেই যার প্রমাণ দেননি কিন্তু তারপরেও সর্বস্তরের মানুষ তাদেরকে পুঁজা করতে বাধ্য। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গই তাদের দাপটে অসি’র। অধিকাংশ সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবিরাই ডরায়। প্রশ্ন, কেনেডিতে বিমান বাংলাদেশ নাকি স্যাটেলাইট, কোনটা গুরুত্বপূর্ণ? ক্রিমিনাল এণ্টারপ্রাইজের সর্বশেষ সংযোজনটি, ব্যক্তিদ্বয়ের সর্বশেষ টাকশাল। পোস্টারে পৃথিবীর ছবির উপর দুইপাখা বিশিষ্ট মহাকাশযানের উপর পারিবারিক প্রচারণা যেন ব্যর্থতার পর ব্যর্থতা এড়াতে জাতির সঙ্গে ভয়ংকর প্রতারণা! অথচ ৫৬টি দেশের ৫ হাজারের বেশি স্যাটেলাইট আকাশে। ১৯৫৭ সনে স্পুটনিক-১ নামের প্রথম স্যাটেলাইটটি পাঠায় রাশিয়া। তাহলে কেন হৈচৈ? জাতিয় নির্বাচনের আগেই আকাশে উড়াতে যতো ধ্বস্তাধ্বস্তি এবং বারবার বিকলাঙ্গ হওয়ায়, যন্ত্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অসম্ভব শংকিত। কারণ, পদ্মাসেতুর বেলায়ও বছরের পর বছর ব্যর্থতা। কেউ জানে না শেষ পর্যন্ত পদ্মাসেতুর গন্তব্য কোথায়!!! প্রশ্ন, স্যাটেলাইটের মালিকানা দুই ব্যক্তির হলে, এরা কারা? টাকার উৎস এবং ডেস্টিনেশন? কোষাকারের
…read more

লাশের পিছ্‌ ২০ হাজার হলে গরুর মূল্য কত?

May 17, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

মানুষের আয়ু ৪ ভাগে বিভক্ত এবং করণীয় নিয়ে একটি ধর্মগ্রন্থে যা লেখা। ১০০ বছর আয়ুর ১ম ২৫ বছর জ্ঞানার্জন। ২য় কিস্তিতে কর্মযজ্ঞ এবং সংসার। ৩য় কিস্তিতে আধ্যাত্মিকত্য লাভ। ৪র্থ কিস্তিতে হয় গৃহ সন্ন্যাস, নয় গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী অবস্থায় জীবনাবসান। বিষয়টি বেশ সঙ্গতই মনে হয়েছে। তবে ডিজিটাল রাজনীতিবিদদের কর্মকান্ড দেখে, কেউই কী বিশ্বাস করবে, এদের একজনও মৃত্যুকে ভয় বা বিশ্বাস করে? বরং হাবভাব এমন যেন যমের দুয়ারে তালা দিয়ে শর্ত দিয়েছে, যতোকাল খুশি জীবিত থাকবে এবং নিজের সময়মত মরবে। সেটা সত্য হলে, বর্তমান বিশ্বের লোকসংখ্যা ২২৫ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যেতো। পৃথিবীতে যদি একটি বিষয়েও যুক্তি-তর্ক, কোর্টকাছারি কিংবা আবেগ থাকাটা অবাঞ্ছিত হয়ে থাকে, সেটি মৃত্যু। বিজ্ঞানী নিউটন বলেছেন, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সমান। বাস্তবে যা, জন্মের প্রতিক্রিয়া মৃত্যু। নিউটন, আইনস্টাইন, রকেফেলার, চেয়ারম্যান মাও, গৌতম বুদ্ধ… অসীম ক্ষমতাধরেরাও মৃত্যুর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেছেন। কয়জন মনে রাখে, জীবন কতো ছোট! জানার আগেই সময় ফুরিয়ে যায়। বিশেষ করে রাজনীতিবিদের জন্য ‘মৃত্যু’ নামক শব্দটি মনে রাখা খুবই প্রয়োজন। কারণ যুগে যুগে তারাই অন্যের মৃত্যুর কারণ হয়েছেন, হচ্ছেন, ভবিষ্যতেও হবেন। অন্যথায় ৯২ বছর বয়সে পৌঁছে মাহাথির এই কাণ্ড করলেন কেন? হঠাৎ আধ্যাত্মিক হয়ে ওঠার কারণ, সীমাহীন অবহেলায় যত্রতত্র অকাল মৃত্যুর খবরে নাকাল। বিশেষ করে অবৈধ সরকারের আমলে অপমৃত্যুর কোন লাগাম নাই। সড়ক-মহাসড়ক জুড়েই ৬০ সাইজের শরীরে ৫ সাইজের গেঞ্জি ঢোকানোর চেষ্টায়
…read more

ক্ষমতার মৃত্যুঞ্জয় এবং আমৃত্যু ক্ষমতার জয়

May 14, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

এবার ব্রিটিশ প্রশাসনের গোপন নথিপত্রেও ঘাটাঘাটি শুরু করলো! প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র উপরেও খবরদারি করছে ঢাকা। ব্রিটিশ সরকারের নামে মিথ্যা-বানোয়াট-ভূয়া খবর তৈরি করে যা ইচ্ছা করছে। ফলে ক্ষমতাসীনদের উপর পরোক্ষ ক্ষুব্ধ ব্রিটিশ প্রশাসন, এর একটি জবাব চেয়েছে। ক্ষমতার লোভে আর কতো নিচে নামবে আওয়ামী লীগ! গুজব প্রচারি হাফমন্ত্রীর ইতোমধ্যেই পদত্যাগ করা উচিত ছিলো। সকলেই জানে নির্বাচন চলে গেছে দুর্বৃত্তদের হাতে। চলে গেছে ফেইক নিউজ কারিগরদের হাতে। এখানে ভোটাভুটির সম্ভাবনা কোথায় দেখলো আওয়ামী লীগ? হাসান মাহমুদ এবার ভূয়া চিঠির জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দুষলেন না। এর মানে, তিনিও স্বীকার করলেন, সকল অপকর্মের মূলেই এইসব দুষকৃতিকারীরা। আজীবন ক্ষমতার বিনিময়ে মাল্টিপার্টি ডেমোক্রেসি বিক্রির প্রতিবাদে এই লেখাটি। “যতোদিন হাসিনা জীবিত থাকবে, ততোদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকবে”- দাবি হানিফের। আজীবন ক্ষমতার গ্যারান্টির সঙ্গে, একমাত্র প্রতিপক্ষকে হত্যার মোটিভের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। হানিফের এই মহাবিপদ সংকেতের পর, ফ্যাসিবাদ উৎখাতে রাস্তার আন্দোলনের প্রয়োজন আরো বেশি জোরদার হলো। কারণ, ব্যক্তি খালেদা নয়। সংসদে বৈধ বিরোধিদলের স্থায়ী বিলুপ্তির প্রশ্নটিই এখানে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। ক্রাইসিস যখন এই পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, আদর্শের মতপার্থক্যকে বিদায় করে, সকলেই এক মঞ্চে না এলে পরাজয় নিশ্চিত। হঠাৎই আজীবন ক্ষমতায় থাকার ঘোষণা, শ্রেফ কথার কথা নয়। ৫ জানুয়ারি দিয়েছি কিন্তু আগামী নির্বাচনগুলোকেও হাতছাড়া হতে দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে যেকোন মূল্যে আওয়ামী লীগকে রুখতেই হবে। এখন পর্যন্ত খালেদাই একমাত্র ব্যক্তি যিনি জেলের বাইরে কিংবা
…read more

তারেক নয়, এই টার্গেট জোবায়দা

May 5, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সবুর সয় না। পুরানো বিতর্কগুলো বাসীও হতে দিলো না। এবারের জঞ্জাল- তারেক স্টেটলেস নাকি স্ট্যাটাসলেস নাকি হোমলেস? প্রশ্নটির আরেকটি পিঠও আছে। একটি জাতিগোষ্ঠি, আদর্শের উপর আক্রমণ চালিয়ে কেউ যখন তাকে নির্মূল করতে চায়, জাতিসংঘের সনদে এটি মানবতাবিরোধি অপরাধ বলে স্বীকৃত। ন্যূরেমবার্গ ট্রায়াল যার উদাহরণ। এই দেশেও নিরবে গত ৯ বছর ধরে একই ঘটনা ঘটছে কিনা, প্রশ্নটি বৈধ। ইহুদিদের একই পাল্লায় তুলে একাধিক গোষ্ঠি ও দলকে নির্মূলের প্রক্রিয়ায় জোট সরকারের পর সর্বশেষ টার্গেট, তারেক পরিবার। আক্রমণের ধারাবাহিকতাই যার প্রমাণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ৬ মিলিয়ন ইহুদিকে বিলুপ্ত করলো। সমপরিমাণ হত্যা না করলেও, অধিকসংখ্যক ভিন্নগোষ্ঠির উপর মানবতাবিরোধি আক্রমণ চালিয়ে যা খুশি করছে ৫ জানুয়ারির ফ্যাসিবাদিরা। ফলে লাখ লাখ মানুষ হয় গ্রাম ছাড়া, নয় দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছে। এখনো যা অব্যাহত। কোন পরিসি’তিতে পড়লে এতো সংখ্যক মানুষ বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনায় বাধ্য হয়, সাংবাদিক ভাইবোনরা জানেন। তাদেরই পরিচিত কতো সাংবাদিক বেকারত্বে বাধ্য হয়েছে, নির্যাতনের শিকার হয়েছে, কতো মিডিয়া বন্ধ হয়ে গেছে, দেশত্যাগীদের সংখ্যা কতো… নিশ্চয়ই জানেন। গত ৯ বছরে নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশিদের অধিকাংশই পাড়ি জমিয়েছে পশ্চিমে। রেকর্ড সংখ্যক এসাইলাম প্রার্থনা, অধিকাংশই সফল। অনেকের হাতেই স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী ট্রাভেল ডকুমেন্টও পৌঁছে গেছে। ফলে ডিপোর্টেশনের ভয় নাই। অবৈধ হলে, যেকোন সময় ডিপোর্টেশন। প্রতিবছরই ১০০টির বেশি দেশ থেকে প্রায় ৭০ হাজারের উপরে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন স্টেট ডিপার্টমেন্টে জমা পড়ে।
…read more

দুয়ারে আইসাছে পালকি নইওরি গাও তোল

April 28, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

খালেদার হায়াৎ-মউত নিয়ে ওবায়দুলের বক্তব্যে আব্দুল আলীমের বিখ্যাত গানটির কথাই মনে পড়লো। জবাবে রিজভী এবং ফকরুলের প্রতিক্রিয়ায় সুস্পষ্ট ইঙ্গিত, ম্যাডামের পালকি দুয়ারে চলে এসেছে। মুখে আল্লা-রসুল বলার জন্য নেতাকর্মীদেরকে প্রস’ত হতে হবে (দ্র. যুগান্তর-নয়াদিগন্ত, ২০ এপ্রিল)। গয়েশ্বরবাবু বুঝেছেন বলেই বলেছেন, নেত্রীর লাশের জন্য জেলগেটে অপেক্ষা করতে হবে। দায়িত্বশীল পদে থেকে কথাগুলো বলায়, মৃত্যুর সকল দায় আওয়ামী মহাসচিবেরই। চিকিৎসা নিয়ে শুধু ছলচাতুরিই নয়, জেলগেট থেকে প্রত্যেকেকেই ফেরত দেওয়ায় যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত। অনুমান করি, কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের মতো হয়তো গোপনে এমন কর্মকান্ড চলছে, যা মৃত্যুর নিশ্চিয়তা। অন্যথায় এতো ছলচাতুরি কেন? রহস্যজনকভাবে গৃহপরিচারিকা ফাতেমাও অদৃশ্য!!! “তারেককে ফেরত নেবই”- লন্ডনে এই বক্তব্যে, প্রতিশোধ স্পৃহার উচ্চতা স্পষ্ট করলেন। মা-পুত্র কাউকেই বাঁচিয়ে না রাখার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। ওই বক্তব্যে, পোকায় খাওয়া ২০ দলের কেউই অবাক না হলেও, উত্তাল স্যোসাল মিডিয়া। মায়ের হত্যা মিশন হাতে, পুত্রকে দেশে এনে দণ্ড কার্যকর করতে, লন্ডনে প্রতিশোধ স্পৃহার গোলাবারুদ। এক পরিবার ছাড়া আর কেউই ক্ষমতায় না থাকার ডেসপারেশন। রাজা-রানীরা আমৃত্যু ক্ষমতায় থাকলেও, প্যালেস থেকে পার্লামেন্ট কিন্তু আলাদা। আমাদের বেলায় প্যালেস এবং পার্লামেন্ট একাকার। ৭১এর সংগ্রামীদের একাংশ স্পষ্টভাবেই গণতান্ত্রিককম্যুনিস্ট আগ্রাসনের পক্ষে। সংবিধানের উপর বারবার কম্যুনিস্ট আক্রমণ চালিয়েও, প্রতিরোধের অভাবে, আরো অদম্য হাইকমান্ড। ১/১১ করেও ছাড় পেয়েছেন। ৫ জানুয়ারি করেও ক্ষমতাচ্যুত হননি। এমনকি হিলারি পর্যন্ত জানিয়েছিলেন, ক্ষমতায় বসিয়েছিলো কারা! সামনের নির্বাচনটা আগেরচে’ও বড় আন্তর্জাতিক ট্রেড।
…read more

পরবর্তী সিসি মার্কা নির্বাচনের জন্য দায়ী কে?

April 24, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

প্রকাশিত স্বৈরশাসকের নতুন তালিকা নিয়ে ৯ এপ্রিল প্রথম আলো লিখেছে, সিসি মার্কা নির্বাচনের কথা। …অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গণতান্ত্রিক দেশের সংখ্যা কমেছে, বেড়েছে একদলীয় শাসকের সংখ্যা। …জিনপিং আমৃত্যু প্রেসিডেন্ট ঘোষণায় উৎসাহিত মিশরের সিসিও টার্মলিমিট অবলুপ্ত করার ঘোষণা দিলেন। ৪ বছরের টার্মলিমিটকে ৬ বছর বানিয়ে আমৃত্যু ক্ষমতার পথে পুতিনও। ভূয়া নির্বাচন করে সিসি এবং পুতিন যথাক্রমে ৯৭ এবং ৭৭ ভাগ ভোটের দাবি। জার্মান ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় তুরষ্কের এরদোয়ান, সিরিয়ার আসাদ, ফিলিপাইনের দুতার্তে, মালয়েশিলার নাজীব, হাঙ্গেরির ভিক্টর…। স্বৈরাশাসকদের তালিকায় এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে নিয়ে গেলো কে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামূয়েল ফিলিপ হান্টিংটনকে উল্লেখ করে প্রথম আলো লিখেছে, গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত নির্বাচন। …কেবল সিসি মার্কা নির্বাচন হলেই গণতান্ত্রিক বলা যাবে না। প্রথম আলোর মতো লিবারেলরাও স্বীকার করলো, ভোট দেয়া মানুষের অধিকার! অধিকাংশই লিবারেলও হতে পারলো না। বরং কম্যুনিস্টদের মতো তালিকা থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই লেখাটি প্রকাশ করলো (দ্র: আমাদের সময়…)। আড়াই হাজার বছর পর সক্রেটিসকে সত্য বলে প্রমাণ করলো আওয়ামী লীগও। বলেছিলেন, “মূর্খদের জন্য গণতন্ত্র নয়।” ৬৯এর সংগ্রামী দলটি কার নেতৃত্বে এতো দ্রুত স্বৈরশাসকের তালিকায় ঢুকলো, এসব প্রশ্ন অবান্তর। ক্ষমতার লোভে কম্যুনিজমকেই লুফে নিলো আওয়ামী লীগ। অভিযোগ অস্বীকারের উপায় নেই। ফলে নির্বাচনের চেহারা হাঙ্গেরি, মিশর, রাশিয়ার মতো না হয়ে কী ভারত-আমেরিকার মতো হবে? তবে এজন্য ভারতই সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ তারাই কিন্তু বহুদলীয় গণতন্ত্রের সেরা দৃষ্টান্ত!
…read more

মোদিজীকে খোলা চিঠি – ১

April 12, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

ভারতের ‘স্টার জলসা’ নিয়ে বাংলাদেশিদের যতো আগ্রহ, ভারতীয়দের মধ্যে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা জানার ন্যূনতম আগ্রহ থাকলে, আমাদের পার্লামেন্টের চেহারা রাশিয়ার মতো হতো না। তবে কংগ্রেসের পথেই হাঁটবে কিনা বিজেপিও, দেখার জন্য ২০১৮এর নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। লেখার প্রথম পর্বে কংগ্রেস, দ্বিতীয় পর্বে বিজেপির আলোচনা-সমালোচনা। কংগ্রেস শোনেনি কিন্তু বিজেপিকে জনগণের কথা শুনতেই হবে। কারণ এবারের নির্বাচনটাও জনগণের হাত থেকে কেউ কেড়ে নিলে, ৫ জানুয়ারির মতো রাজনীতি এতো সহজ হবে না। যা দিল্লিরও মাথাব্যাথার কারণ হওয়াই স্বাভাবিক। প্রথমেই ট্রাম্প, তেরেসা মে, পুতিন, জিংপিংকে পেছনে ফেলে, গ্যালাপ পোলের বাৎসরিক জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে তৃতীয় স্থান দখলে মোদিজীকে অভিনন্দন। নিশ্চয়ই এমনকিছু করেছেন যেজন্য দলচাটাদের মুখ থেকে নয় বরং বিশেষজ্ঞদের অনুসন্ধানেই এই পুরষ্কার। তবে অধিক আনন্দিত এই কারণে, আপনার দল সেটা উদ্‌যাপনে, সপ্তাহব্যাপী ভারত বন্ধ ঘোষণা করে দেশজুড়ে নাইটমেয়ার সৃষ্টি করেনি। চাইলে পারতো কারণ, রামমাধবেরাই ক্ষমতায়। উল্টা কংগ্রেসসহ সকল বিরোধিশিবিরের গর্জন, গ্যালাপের অনুসন্ধান ভুল। এর সঙ্গে প্রকৃত আর্থসামাজিক অবস্থার মিল নেই। বরং টার্ম শেষ হওয়ার আগেই মোদিজীকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামাতে পার্লামেন্টে এবং বাইরে- বিরোধিশিবিরের তুলকালাম। বলছি, ভারতের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারবাহিকতা। সামনে দুই দেশেরই জাতিয় নির্বাচন। এপ্রিলে আপনার সঙ্গে আমাদের অনির্বাচিত প্রধানের (রায় এখনো বহাল) আবারো সাক্ষাতের খবর মিডিয়ায় দেখে যারপর নাই আতঙ্কিত। কংগ্রেস আমলে এতোবার সাক্ষাৎ, আবার সাক্ষাৎ? জনগণের কৌতুহল, এতোবার
…read more

ভিক্ষা চাই না মাগার কুত্তা সামলাও

April 7, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

রাজনীতির হিমালয় থেকে সংকুচিত করতে করতে বিএনপিকে বানিয়েছে- ভিক্ষা চাই না মাগার কুত্তা সামলাও। খালেদার ক্ষেত্রে ভোট চাই না মাগার কুত্তা সামলাও বলাটাই যুক্তিযুক্ত। ১০ নম্বর সতর্ক সংকেতের খাদে এবং ফাঁদে পড়া বিএনপির অশনি সংকেত বোধহয় সবচেয়ে বেশি আমিই লিখেছি! নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন, আইনের শাসন, বহু আগেই বাতিল। “ডিজিজ টার্মিনাল নাকি নরমাল”- প্রসঙ্গটি তুলে বিএনপি ধ্বংসের শেষ ধাপ জানিয়ে দিলো। আন্দোলনের হিমালয় থেকে নেত্রী এখন সুস্থ-অসুস্থতার আলোচনায় সংকুচিত। অন্যজন ভোট চেয়ে সরকারী টাকায় সারাদেশ চষে বেড়াচ্ছেন। এটা নাকি তার অধিকার। অধিকার শুধুমাত্র আওয়ামী লীগেরই। সত্য কঠিন হলেও সত্যেরই জয়। আওয়ামী Vulgarism জাতির বিবেক-নীতি-নৈতিকতা পুরোপুরি ধ্বংস করেছে। সিকিম হয়েছি, গণতন্ত্র নেই, স্বৈরাচারি শাসন… অচল। মূল প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে কয়েকটি কথা। ১) ২০১৮এর ২৬ মার্চে অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটালেন হাইকমান্ড। সেক্টর কমান্ডারের স্ত্রীকে জেলে ভরে, সদলবলে সেদিন একাই সাভারে! ২১ ফেব্রুয়ারিতেও তাই। ২) ৪৭ বছরে এই প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো স্বৈরশাসকের তালিকায় বাংলাদেশ। ৭১এর মৌলিক গণতন্ত্র এখন আপাদমস্তক কম্যুনিস্ট গণতন্ত্র। জিয়া একজন বীরউত্তম পদকপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার। সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাও। তার স্ত্রী খালেদাও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধিনেত্রীও। ২০১৮ সনে একা হাইকমান্ডের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপনে লজ্জিত নই। লজ্জিত এইকারণে, সেদিন গোটা জাতিই চুপ! আমরা একে আক্রান্ত মুক্তিযুদ্ধ, আক্রান্ত স্মৃতিসৌধ বলতেই পারি। মুক্তিযুদ্ধে অবদান নিয়ে সামান্য আলোচনা। আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাই যুদ্ধ না করে
…read more

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রধান শর্ত – অংশগ্রহণ নিষেধ?

March 17, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

গর্দভের আদালতে নির্বাচন:- ছোটবেলায় বলতাম, ইফ যদি ইজ হয়, বাট কিন্তু হোয়াট কি? এর কোন ব্যাখ্যা আসলেই নেই। জানতে চাওয়াটাও গাঁধার কাছে প্রশ্ন ফাঁসের কারণ জানতে চাওয়ার মতো। প্রাচীনকাল হতেই গর্দভ একটি অতি নিরীহ প্রাণী। পিঠের উপর হাজারগুণ অধিক বোঝা তুলে দিলেও প্রতিবাদ করে না। গর্দভ সমপ্রদায়ের উপর বেজায় চটেছেন হাইকমান্ড। যদিও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রধান শর্ত, বেছে বেছে অংশগ্রহণ থেকে মাইনাস করা কিনা, বললেনই না। ওবায়দুল কাদেরদের বিষয়টি এইরকম- হবে… হচ্ছে… তবে… হয়তো… অনেকটাই constipation-এর মতো। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের গ্রহণযোগ্য উদাহরণ। অর্থ পাচারের জন্য মোর্শেদ খানের মামলার তদন্ত চলবে কিন্তু প্রেসিডিয়াম সদস্য জাফরুল্লাহর অর্থ চুরির গন্তব্যস্থল পানামার ব্যাংকের নাম মুখে আনাও পাপ? ঠিক যেমন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আনা মামলাগুলো থেকে শতভাগ খালাস হাইকমান্ড কিন্তু জেলে নিয়ে হত্যার ব্যবস্থা প্রতিপক্ষকে। সিইসিও সাফ বলে দিলেন, “নির্বাচনে সবদলের অংশগ্রহণের বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে না” (দ্র: মানবজমিন ৮ মার্চ)। এরপরেও গর্দভ সমপ্রদায় চুপ থাকবে না কেন? তবে হাত-পা বেধে সাগরে ডুবিয়ে দেওয়ার পরেও, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলতে বিএনপি মহাসচিব কী বোঝেন, উত্তরটি “ইফ যদি ইজ হয়”-এর মতো। আজকের বিষয়, লালকেল্লার সবুজ সংকেত প্রেক্ষিতে বিজেপি বনাম কংগ্রেস এবং আওয়ামী লীগ। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের “সময়” নিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। ৭ বছরেও পাওয়া গেলো না ৩০ সেকেন্ড সময়? অথচ ৯ মাসেই পাকিস্তানিরা কাইৎ। ফেইসবুক আবিষ্কার ১০ মাসে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আরো কয়’শ
…read more

নেতাজী ফাইল, কংগ্রেসমুক্ত ভারত এবং প্রণবের চোখে জল

March 7, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

দুই বাংলার দুই পরিত্যাক্ত বীর। রাজনৈতিক মারদাঙ্গাতেও একই খলনায়কদের চরম নৃশংস্যতার শিকার। তাদের একমাত্র অপরাধ- আপোষ নয় বরং সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা। একজন দূরে থেকে জ্বালিয়ে দিলেন স্বাধীনতার আগুন, অন্যজন সশস্ত্র সংগ্রামে মাঠে। এরপরেও তারা পরিত্যাক্ত কেন, সেটাই লিখবো। প্রণববাবু কাঁদছেন কিন্তু কেন? ৬০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়া দিল্লির মসনদে একটি পদও নেই, যা তিনি ভোগ করেননি। “যেখানেই পা রেখেছেন, প্রণববৃক্ষগুলো এমনভাবে রোপন করেছেন, যেখান থেকে বেরিয়ে আসা দুই দেশের পক্ষেই অসম্ভব, বিশেষ করে প্রায় প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে তার রেখে যাওয়া বাংলাদেশ বিষয়ক নীতি নির্ধারণ।” অধিকাংশই রাজনীতিতে প্রণব ফ্যাক্টর বুঝতে অক্ষম। সেজন্যই তিস্তার পানি কিংবা ৫ জানুয়ারির দোলাচলে এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনীতি। ইন্দিরার হাত ধরে সোভিয়েত মডেলের করাপ্ট কম্যুনিস্ট গণতন্ত্র এবং ক্যাস্ট্রো মডেলের পারিবারিক রাজতন্ত্র, দুটোই ভারতকে খাইয়েছেন, বাংলাদেশেও পাচার করেছেন বলেই সংসদের চেহারাটা এরশাদের মতো। ব্যতিক্রম একটাই, বিএনপিমুক্ত রাজনীতির চিফ আর্কিটেক্ট এখন কংগ্রেসমুক্ত ভারতের বিরুদ্ধে কাঁদছেন। তীব্র প্রতিরোধের মুখে, ৬০ বছর দেরিতে হলেও কংগ্রেসের হাতে জিম্মি নেতাজীর প্রায় দেড় শতাধিক সিক্রেট ফাইল অবমুক্ত করে প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিলো বিজেপি। ফাইলগুলো বন্দি রাখতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েছে চক্রান্তবাদিরা। তারা চায়নি, ভারতীয় রাজনীতিতে অন্য কারোই আধিপত্যবাদ থাকুক। অধিকাংশেরই বিশ্বাস, নেহেরু নয়, নেতাজীর সশস্ত্র সংগ্রামের প্রভাবই ব্রিটিশদের ভারত ছাড়ার সূত্রপাত। ১৯৫৬ সনে যে কথাটি স্বীকার করেছিলেন, ৪৭এর ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরকারী প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
…read more