বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের খেলা

February 15, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

প্রসঙ্গ সন্ত্রাস। কাবুল আর বাংলাদেশকে এক পাল্লায় তুলে দেয়াটা বিনা কারণে নয়। এর পেছনে বিরাট ষড়যন্ত্র। প্রণবের জানা উচিত সন্ত্রাস দুইরকম। অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ। ৯/১১এ আমেরিকা ছিলো অফেন্সিভ। পরবর্তীতে অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ দুটোই। সেইরকমই ইরাক এবং আফগানিস্তানও প্রথমে ডিফেন্সিভ হলেও এখন তারাও দুটোই। বলছি সন্ত্রাস নিয়ে প্রণব এবং আওয়ামী লীগের হিসাব এক। একমাত্র পাগল-ছাগলেরাই পেন্টাগন-কাবুলের পাল্লায় তুলবে বাংলাদেশকে। অন্যের অধিকারহরণই প্রকৃত সন্ত্রাস। ২০১৯এর ভূয়া নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কিত মানুষ। অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ দুই ধরনেরই হাঙ্গামাকারীদের আশংকা ফেলে দেয়া যাবে না। যেকারণে ভারত বিরোধি সেন্টিমেন্ট এখন সর্বোচ্চ্। যা ঘটতে পারে, স্যোসাল মিডিয়ায় কিছুটা টের পাওয়া যায়। এই ভয়েই ওবায়দুল কাদেরদের মুখে, বারবার আরেকটা ১৫ আগষ্টের আশংকা? এবার প্রণবের প্রশ্নের উত্তরে দিতে মহানায়কদের হত্যার কারণ খুঁজবো। বহুবছর ধরে রাজনীতিতে যে নিম্নচাপ বজায় রেখেছে প্রণব ডক্টরিন, আবহাওয়া বিজ্ঞান অনুযায়ী, শূন্যতা দখলে ঝড় তখনই উঠে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ মানবাধিকার নেতা ড. কিং ১৯৬৪ সনে এভাবেই অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ হাঙ্গামার ব্যাখ্যা করেছিলেন, “ভায়োলেন্স ইন দ্যা ল্যাংগুয়েজ অব দ্যা আনহার্ড।” অর্থাৎ যাদের কথা শোনার কেউ নেই, হাঙ্গামা করে সেটাই জানাতে চায় নির্যাতিতরা। বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি নোম চমস্কি ইহুদি হয়েও ইস্রায়েলকেই বড় সন্ত্রাসী মনে করেন। একইভাবে- ভিয়েতনাম, লাউস, কম্বোডিয়া, তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানে যে ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়েছিলো আমেরিকা, জবাবে, পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে যা করলো ৭১এর মিত্রশক্তি, প্রকৃত সন্ত্রাসের ব্যাখ্যা
…read more

সুবীর ভৌমিকের বাগাড়ম্বর এবং কিসিঞ্জার ডক্টরিন

February 10, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

নানান দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, গণহত্যা, অস্ত্র বিক্রি, অক্যুপেশন, মানবতাবিরোধি অপরাধ, যুদ্ধশিশু যার লেগেস্তি তিনি হেনরি কিসিঞ্জার। ফোর্ড-নিক্সনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং স্টেট সেক্রেটারি। ছিলেন নিক্সনের পীরের মতো। তার পরামর্শ অনুযায়ী ভিয়েতনামে প্রত্যেকদিন শতশত টন বোমাবর্ষণ, ৭১এ পাকিস্তানকে অস্ত্র বিক্রি, চায়নার সঙ্গে বন্ধ দরজা খুলে দেয়া, ৭৪এ দুর্ভিক্ষ ত্বরান্বিত করতে মধ্য সমুদ্র থেকে খাদ্য জাহাজ ফিরিয়ে নেয়া, মুজিব হত্যায় মোস্তাক গং রিক্রুট… অবসরে যাওয়ার এতো বছর পরেও দক্ষ কৌশলবিদ কিসিঞ্জারের অনবদ্য প্রভাব মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে। তার কুটনৈতিক সাফল্যেই পূর্ব গোলার্ধে মার্কিন আধিপত্যবাদ বেড়েছে। অন্যদিকে অবসরে যাওয়ার আগে ও পরে, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও যার নিরঙ্কুশ প্রভাব, এশিয়ান কিসিঞ্জার বলাই যথার্থ। তিনি রাজনীতেতে না এলে, দিল্লির বাংলাদেশ নীতি কেমন হতো? এইধরনের প্রশ্নেরই জবাব দিয়েছেন ভারতীয় থিংকট্যাংকের সিনিয়র ফেলো-সাংবাদিক সুবীর ভৌমিক তার ইঙ্গিতপূর্ণ লেখায় (দ্রঃ আমাদের সময় ২১/১/১৮)। কয়েকটি তাৎপর্যপূর্ণ লাইন, “…২য় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রণব মুখার্জিকে গ্রহণ করা হলে, ২০১৪ সালে কংগ্রেস এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তো না। …রাহুল গান্ধি যদি স্মার্ট হন এবং কংগ্রেসকে ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী থাকেন, তবে প্রণব মুখার্জি হবেন এমন এক রাজনীতিবিদ, যার পরামর্শ তিনি সক্রিয়ভাবে কামনা করতেন পারেন। প্রণব মুখার্জি হলেন ভাতের শেষ বাঙালি রাজনীতিবিদ, যিনি বাংলাদেশের সঙ্গে প্রবলভাবে সম্পৃক্ত। …এই বাঙালি সমীরকণটি বিএনপি-জামায়েত ও তাদের মতো অন্যরা কখনো বুঝতে পারবে না। …মহান বঙ্গবন্ধু সচিন্দ্রকে (ত্রিপুরার ১ম মুখ্যমন্ত্রী) স্বাগত জানাতে তার অফিসের
…read more

প্রণব এখন রাষ্ট্রপতি নন

January 27, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সফরকে কেন্দ্র করে যা দেখলাম, পড়লাম, শুনলাম… বিশ্বাস করতে চাই পুরোটই দুঃস্বপ্ন। ঘুম ভাঙ্গলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। স্মরণীয় আফ্রিকান উক্তি, “যতোদিন না আহত শিকারের কথা বলতে কেউ এগিয়ে আসবে, ততোদিন শিকারির গৌরব গাঁথাই লিখে যাবে ইতিহাস।” ৯৯ ভাগ বাংলামিডিয়া যখন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লেখা ‘ফায়ার এণ্ড ফিউরির’ নোংরা ঘাটছে, আমি লিখবো শিকারের ইতিহাস। প্রণবের আত্মকথার ‘ফায়ার এণ্ড ফিউরিতে’ ২০০৮এর নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং ফাঁস করে মাইনু সম্পর্কে লিখেছেন, “হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তাকে বরখাস্থ করতে পারেন, এ নিয়ে শংকিত ছিলেন তিনি। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব নিলাম। হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর ওই জেনারেলকে পদে টিকিয়ে রাখার নিশ্চয়তা দিলাম। …২০০৮ সালের ডিসেম্বরে জাতিয় নির্বাচন হলো, ওই নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হলেন শেখ হাসিনা। …শেখ হাসিনা আমার ঘনিষ্ঠ পারিবারিক বন্ধু। যখন তিনি জেলে ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের কিছু নেতা তাকে ত্যাগ করেছিলেন, আমি তাদেরকে নিজের অবস্থানে ফিরে যেতে তাগিদ দিয়েছিলাম।”   ২ অভিযোগের সংক্ষিপ্ত তালিকা:- – বিডিয়ার হত্যাকান্ডে ক্ষমতার মসনদ নড়ে উঠলে, প্রকাশ্যে হুমকি, হাসিনার কোন ক্ষতি হলে ভারত হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। এরপরেই ঢাকায় এসে গোপন মিটিং। – জোট সরকারের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত তার, বাস্থবায়ন করেছেন হাইকমান্ড। বেছে বেছে ফাঁসির তালিকাটিও তার। সাঈদীকে ফাঁসি না দিতে পেরে বেজায় অখুশি। – সুজাতা মিশনের কারিগরও তিনি। – জামায়াত ত্যাগের শর্তে দিল্লিতে খালেদাকে সাক্ষাত।
…read more

না বলেও যা বলে গেলেন প্রয়াত নগরপিতা

January 17, 2018 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

পাকিস্তান আমলে মেট্রিকে ফার্স্ট ডিভিশন পেলে বাড়ি ভরে গেলো আমাকে দেখতে আসা লোকজন দিয়ে। সবার মুখে এককথা, ফার্স্ট ডিভিশন কী মুখের কথা! বাবার গর্ব দেখার মতো! দুর্ভাগ্য, একজীবনেই দেখতে হলো, শিক্ষামন্ত্রীর মুখে ঘুষের যোগ-বিয়োগ শিক্ষা। এরপরেও স্বপদে থাকার মতো বিশ্ববেহায়া। তবে বিশ্ববেহায়া তিনি একা নন। এজন্য দায়ী আওয়ামী লীগ, যারা সংগ্রামী দলের বদলে সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। প্রথমদফায় ক্ষমতায় এসেছিলো অদৃশ্য ভোটডাকাতি করে। দ্বিতীয়দফায় উন্মুক্ত ডাকাতি। এদেরকে যারাই শক্তি যোগাচ্ছে, তারাই ইরাক-আফগানিস্তানে নরকের সৃষ্টি করেছে। এদের মোটিভ নিয়ে কেউই আতঙ্কিত নয়। উদ্দেশ্য, সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠান সৃষ্টির মাধ্যমে অঢেল টাকার ব্যবস্থা করা, যার পেছনে অন্ধের মতো ছুটবে সর্বস্তরের মানুষ। দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠানগুলোই হবে অবৈধ টাকার একমাত্র ঠিকানা, যেগুলো ব্যবহার করবে দলীয় প্রতিষ্ঠানের মতো। শুরু থেকেই যুব সমাজের নীতিনৈতিকতা ধ্বংস করতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গডফাদারদের হাতে তুলে দিয়েছে। প্রশ্নপত্র এবং পরীক্ষার রেজাল্ট ফাঁস, টিউটেরিয়াল সিন্ডিকেট কেন এতো শক্তিশালী? কারণ দুর্নীতিবাজদের হুকুম মানতে বাধ্য নয় দুর্নীতিবাজরা। বিষয়টি গ্যাংস্টার বনাম গ্যাংস্টারের যুদ্ধের মতো। নগরপিতার মৃত্যুতে উল্লাসিত দখলদারেরা পুর্নরুজ্জীবিত হয়ে দখলে নেমেছে। রাষ্ট্রকে এরা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে, সেটাই জানিয়ে গেলেন নগরপিতা। এই কাজটাই হোক তার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। লেখাটির উৎসও তিনি। মেয়রকে যারাই ক্ষমতায় বসিয়েছিলো, তারাও অনির্বাচিত হওয়ায়, দখলদারদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যায়নি প্রশাসন। দুর্নীতি কখনোই পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব না। তবে আইনের শাসন থাকলে অনেকটাই সম্ভব। সেজন্য
…read more

ডিভাইড এণ্ড রুলের পোশাকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ!

December 30, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

অনাদিকাল হতেই ফলাফলের আশায় মানুষ পরিশ্রম করে। কিন্তু ৯ বছরের ‘পক্ষ-বিপক্ষের’ যুদ্ধের ফলাফলটা কী? নাকি হাজার হাজার ঘণ্টা সময়, মেধা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, অকটেন… খর্চ করে এমন কোন ফর্মূলা আবিষ্কার করেছি, যা দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনে দুইপক্ষই একমত! মুক্তিযুদ্ধকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ক্ষমতাসীনদের বক্তব্য এখন সবচে’ বড় হাসির খোরাক। বক্তব্যের সারাংশ- বিএনপি-জামায়াতকে পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যেতে হবে। প্রসঙ্গ, চার্চিলের সিক্রেট প্লান এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষের স্ট্যান্ট। মাউন্টব্যাটেন চেয়েছিলেন, বিবাদমান দুটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে একমত করে- অবিভক্ত ভারতের শান্তিপূর্ণ সমাধান। কিন্তু পার্টিশন নিয়ে রায়ট শুরু হলে, অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারত ভাগে বাধ্য হলেন ভাইসরয়। পুরো বিষয়টাই চার্চিলের প্রতারণা বলে দাবি “দ্যা শেডো অব দ্যা গ্রেট গেইম” বইয়ের লেখক নরেন্দ্র সিং সেরিলার। প্রিন্স চার্লসের উৎসাহে বইটি থেকে নির্মিত ছবির নাম- “ভাইসরয়ে’স হাউজ।” সেরিলা লিখেছেন, ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে পাওয়া অনেক সিক্রেট ডকুমেন্টস অনুযায়ী, ১৯৪৫ সনেই গোপনে পাকিস্তান সৃষ্টির মানচিত্র বানিয়েছিলেন “ওয়ার টাইম প্রধানমন্ত্রী চার্চিল।” উদ্দেশ্য, একটি ‘বাফার স্টেট’ অর্থাৎ দুটি বিবাদমান দেশের মধ্যখানে ৩য় দেশ বানিয়ে সোভিয়েতকে দূরে রাখা। ডকুমেন্টের নাম, “ওয়ার কেবিনেট-টপসিক্রেট-পোস্ট হস্টালিটিস প্লানিং।” চার্চিলের সন্দেহ, অবিভক্ত ভারত থাকলে, এশিয়া দখল করবে সোভিয়েত। এই কাজে সবচে’ বেশি প্রয়োজন বন্দর। সোভিয়েতের বন্দরগুলো অধিকাংশ সময়েই বরফ। সেজন্যই স্টালিনের চোখ, উষ্ণপানির করাচির পোর্ট। লেখকের দাবি, পাকিস্তান বানানোর বহু আগেই ছদ্মনামে জিন্না এবং চার্চিল যোগাযোগ করতেন। পূর্বপরিকল্পিত রায়টগুলোর উদ্দেশ্য, দেশবিভাগে
…read more

সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের প্রতারণা এবং রওশনের বেদনা

December 21, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

সেনাবাহিনী এবং ডাক্তারের মতো সাংবাদিকতাও মহান পেশা। কিন্তু যখন কেউ এটাকে বিরোধিদলের বিরুদ্ধে- বিশেষ কোন রাজনৈতিক দলের মন্ত্রী বা কর্মীর মতো ব্যবহার করে, সেখানে সাংবাদিকতা থাকে না। লেখাটির উদ্দেশ্য, গণভবনে সংবাদ সম্মেলন। সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের জন্য তে সংসদই রয়েছে। সেখানে ৩০০ অবৈধ এমপি জি-হুজুরের ভূমিকা ভালোভাবেই পালন করছে। মহানপেশার মধ্যে এসব যুক্ত করা কি ঠিক? সাংবাদিকেরাই সাংবাদিকতার শত্রু হয়ে উঠছে। তারা কী আমেরিকার বিরোধিদলের ভূমিকা দেখছে না? ট্রাম্পের মূর্তি বানিয়ে পশ্চাদে লাথি মারছে কিন্তু কোন ধারাতেই জেলে যেতে হচ্ছে না। আমার অভিযোগটি ঢালাও নয়। বরাবারের মতোই কম্বোডিয়া ফেরত প্রেসকনফারেন্সের ভিডিও যতোবার দেখি, চোখে সাংবাদিকতার কুলখানি দেখি। সাংবাদিক সম্মেলনগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য, জিয়া পরিবারকে আক্রমণ। গুজবভিত্তিক প্রশ্নোত্তর পর্বে যে অভিযোগগুলো মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের নারী সাংবাদিকের, প্রমাণ করতে না পারলে, মহানপেশা ছেড়ে দেবেন কিনা! ৫০ নাকি ৫০০ কোটি কিংবা ১২ মিলিয়ন নাকি ১২ বিলিয়ন ডলারের দুর্নীতি… দলীয় সভা নয় বলেই যা-তা বলা যাবে না। ৭১এর সাংবাদিকের ভয়, বিশ্বনেত্রী হয়ে যাওয়ায় বিশ্বমিডিয়া নাকি তাকে কেড়ে নিয়েছে এবং দেশি মিডিয়া তাকে আর পাবে না। ব্যক্তির দেয়া টেলিভিশনের কারণেই এই প্রজন্মের সাংবাদিকরা করে খাচ্ছে। অন্যেরা প্রচার না করলেও ৭১ টিভি খালেদার দুর্নীতির খবর প্রচার করেছে বলে দলীয় কর্মীর সুরে গর্ব। সবচে’ বড় আপত্তি, যখন প্যারাডাইস পেপার্সে কোকো-তারেকের নাম এসেছে বলে দাবি করে নিজের টেলিভিশনেও প্রচারের ক্রেডিট নিলেন। ৭১
…read more

পোপ কী বললেন, কী বললেন না

December 14, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

অহিংস পরমধর্মের জনক গৌতমবুদ্ধই যখন পারলেন না, যীশু পারবেন কেন?  ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি পোপ উচ্চারণ করলেন কি করলেন না, একেবারেই মূল্যহীন। বুদ্ধের শিক্ষার উপর রক্ত ঢেলে দিয়ে এবং শান্তির নোবেল পেয়েও গণহত্যার প্রমাণ রেখে- প্রকৃতঅর্থেই যুদ্ধাপরাধের খাতায় নাম লেখালেন সুচি। ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ঢাকায় উচ্চারণের পরেই পোপের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে গেরুয়া ভিক্ষু এবং সাধারণ বর্মীরা। তাদের দাবি, রোহিঙ্গাদের ফেরত আসতে দেবে না। ভেবেছিলাম এই বিষয়ে আর লিখবো না কিন্তু দ্বিপক্ষীয় স্মারকের পর লিখতেই হলো। স্মারকটি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দ্বিপক্ষীয় ষড়যন্ত্র, প্রকৃতঅর্থেই যা- ভিকটিমদের মৌলিক অধিকার ফেরত পাওয়ার সকল দরজা বন্ধ করে দিলো। এর কিছুই মানতে বাধ্য নয় মিয়ানমার। এইচআরডাব্লিউ যার নাম দিয়েছে- স্ট্যান্ট অর্থাৎ ভাওতাবাজি (যুগান্তর ২৫ নভেম্বর)। জমিজমা কেড়ে নিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করে, প্রাথমিকভাবে ‘অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে’ রাখার নামে আসলেই ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের’ আদলে ব্যবস্থা এসব। রাখাইনে এখনো যাদেরকে ঘিরে রেখে ভাতে ও পানিতে মারছে, ফেরত নিয়ে সেইরকমই কিছু করবে। কারণ স্মারক থেকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ বাদ। স্মারকের চীফ আর্কিটেক চীন, এভাবেই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ থামিয়ে দিলো। কারণ প্রতিটি মুহূর্তেই এরা আন্তর্জাতিক মহলের চোখে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছিলো। লাখ লাখ শরণার্থীদের ঢুকতে দেওয়ার আগে বৈধ বিরোধিদলসহ সাধারণ মানুষ, কারো সঙ্গেই আলোচনা না করে, একাই সর্বনাশা সিদ্ধান্ত নিলো আওয়ামী লীগ!!! একটার পর একটা ভুল করবে তারা আর মাশুল দিতে থাকবে সাধারণ মানুষ? সকলেই জানে, আরাকানের ভূমিদখলই রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের
…read more

ইতিহাসবিকৃতিকারীরা কী বিএনপির স্বামী?

December 10, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

প্রকৃত ইতিহাসবিকৃতকারী ও স্বাধীনতাবিরোধি কারা? যে মুক্তিযোদ্ধা সম্মুখসমরে থেকে দেশ স্বাধীন করলো, তার দল কেন ইতিহাসবিকৃতকারী হবে? নাকি যারা লুকিয়ে ছিলো এ তাদেরই দৈনতা! স্বাধীনতাবিরোধিরা মুক্তিযুদ্ধকে এমন পর্যায়ে নিলো, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের লেশমাত্র নেই। ভয়-গুজবের অদ্ভুত মঞ্চ তৈরি করেছে, যার উপর দাঁড়িয়ে বুদ্ধিজীবিদের অধিকাংশই দালাল হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষেরা পক্ষবিপক্ষের রক্তারক্তিতে মেতে উঠেছে। ফলে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতিটি ইঞ্চিতে যে পচন ধরেছে, ৯ বছর আগে ছিলো না। একমাত্র স্বাধীনতাবিরোধিরাই ভোটের অধিকার চুরি করে বছরের পর বছর ক্ষমতায় থাকে। এমনকি ২০৫০ পর্যন্ত অগ্রিম প্রোগ্রামও দিচ্ছে। ৯ বছরে এই অপশক্তি যেন জানলা-দরজাবিহীন অন্ধকার কুঠুরি, যেখানে আলোর চি‎হ্ন নেই। আর একেই রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘রক্তকরবী।’ যে বিতর্কগুলো প্রাসঙ্গিক- ৭৪এ ১৯৫ জন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধিদেরকে মুক্তি দেয়ার ৪৩ বছর পর মুনতাসির মামুনদের মনে হলো, বিএনপিই ইতিহাসবিকৃতিকারী। এজন্য তাদেরকে আর কিছুতেই আর ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না (হায়রে ইতিহাসবিদ)! “১৬ ডিসেম্বরে ওসমানীর বদলে অরোরার সই?” গণহত্যার নায়ক ভুট্টোকে সঙ্গে করে ৭৪এ সাভারে শহীদদের বুকের উপর হেঁটে যাওয়ার প্রমাণ স্বয়ং তোফায়েল। ভুট্টো-টিক্কা খানের মতো গহত্যাকারীদের সঙ্গে করমর্দনের ভুড়িভুড়ি ছবি ইন্টারনেট থেকে লুকানো যাবে? ৪৬ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের তালিকা করার বদলে শহীদের সংখ্যার বিতর্ক জিইয়ে রেখে অন্যদের উপর দায় চাপাচ্ছে ইতিহাসবিকৃতির। একমাত্র স্বাধীনতাবিরোধিরাই বাকশাল আনে এবং পক্ষের শক্তি সেটা বিলুপ্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে। এটাই স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস। যে
…read more

নির্বাচনে যে বন্ধুত্ব অবাঞ্ছিত

November 23, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

বিপদেই বন্ধুর পরিচয় কিন্তু সামাজিক বন্ধুত্ব থেকে রাষ্ট্র আলাদা। বিপদে একমাত্র প্রতিবেশিরাই স্বার্থহীনভাবে ঝাপিয়ে পড়ে কিন্তু কোন রাষ্ট্রই তা করবে না। যেমন, সিরিয়া শেষ না হতেই যারা ইয়েমেন লন্ডভন্ড করছে, প্রত্যেকেই কোন না কোন জোটের বন্ধু। দিল্লির বন্ধুদের মধ্যে বাংলাদেশ নাকি ১ নম্বরে। অথচ এরাই অগণিতকাল তিস্তার পানি আটকে রেখেছে। জনমতের বিরুদ্ধে একটি পছন্দের দলের সঙ্গে রামপাল বানাতে গিয়ে সুন্দরবনসহ চিত্রা হরিণ থেকে চিতা বাঘ… প্রকৃতির বিরল সম্পদগুলোকে ডাইনোসরের মতো বিলুপ্তির ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশে মিডিয়ার বাজার খুলে নিজের দেশে আমাদের টেলিভিশন আজব্দি ঢুকতে দিলো না। অসম, অবাস্তব, স্বার্থবিরোধিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় না। বন্ধুত্বের সংজ্ঞা কী? এজন্যই আনন্দবাজার বলেছে, “৯০ ভাগ বাংলাদেশিরই ভারতবিরোধি সেন্টিমেন্ট।”   নির্বাচন:- সুজাতা মহাকাব্য শেষ, লিখবো মনস্তাত্বিক ব্যাখ্যা। খালেদা কেন বলেছিলেন, সাপকে বিশ্বাস করা যায় কিন্তু ওমুককে নয়! ক্ষমতাসীনদের খুঁটির জোর বোঝার সাধ্য দুর্ভাগা জাতির নেই। ২০০৭ সনেই টার্গেট- একটি বিশেষ দলকে ক্ষমতায় রাখতে, যুদ্ধাপরাধি এবং সন্ত্রাস বিতর্ক সামনে এনে, আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। এই কাজে সবার আগে বাংলাদেশিজাতিয়তাবাদি মনোজগতকে ধ্বংস করেছে। ইস্রায়েল-ফিলিস্তিনের মতো ঝগড়া বাঁধিয়ে রেখেছে যেন বিনা বাঁধায় যা খুশি করতে পারে। জোটের গুরুত্বপূর্ণ শরিক দলটিকে মূল দল থেকে বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে দেশবিরোধি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে- রুখে দাঁড়ানোর মতো শক্তিকে ধ্বংস করেছে। এই কারণেই ৫ জানুয়ারির ট্রিজন সম্ভব হয়েছে। এরা এরশাদেরও স্রষ্টা,
…read more

সক্রেটিসের গণতন্ত্রে ভাল্লুকের হাতে খন্তা

November 12, 2017 in Bangla Blog, Weekly Joy Newspaper

রোহিঙ্গা ক্রাইসিসটি হলো কতিপয় বিগপাওয়ার আর সুপারপাওয়ারদের সমন্বয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিত একটি সাকসেসফুল মাস্টার প্ল্যান। রোহিঙ্গাদের অধিকাংশই নারী এবং শিশু। লাখ-লাখ মানুষ কতোকাল ঘেরাবেষ্টনির মধ্যে সীমিত থেকেও প্রতিক্রিয়াহীন থাকতে পারে? “জেলে থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত সত্ত্বেও কেউ কী জেলে থাকতে চায়?” পরবর্তীতে ছড়িয়ে পড়তে পারে ভয়ংকর রোগ-বালাই থেকে মহামারি। বেকারত্ব এবং হতাশা থেকে সৃষ্টি হতে পারে অরাজকতা, এমনকি সন্ত্রাসও। এজন্য ক্ষমতাসীনরা কতোটুকু দায়ী? এই পরিস্থিতি হবে, বহু আগেই জানার পরেও কোনরকম প্রস্তুতি না নিয়ে যা প্রমাণ করলো। -বন্ধু রাষ্ট্রের দোহাই দিয়ে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার আচরণে লিপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। -শক্তিপ্রদর্শনের ঘোরবিরোধি এবং ‘গণহত্যা’ শব্দটি উচ্চারণের বিরুদ্ধে হাইকমান্ড। -জাতিসংঘে বারবার চীন–রাশিয়ার ভেটোর বিরুদ্ধে সুনশান নিরবতা। যেসকল বন্ধু রাষ্ট্র সরাসরি পক্ষ নিলো, ভারত তাদের অন্যতম। তাসত্ত্বেও বন্ধুত্বের নামে এসব কী দেখছি? প্রয়োজন, ৭১এ ইন্দিরার মতো হাইকমান্ডেরও চীন–রাশিয়ায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ভেটোর বিরুদ্ধে অবস্থান জানিয়ে দেয়া। সবাইকেই কখনোই কেউই একইসঙ্গে খুশি করতে পারবে না। সেটা করতে গিয়েই বাংলাদেশের উপর একটার পর একটা ক্রাইসিসের সৃষ্টি করেই চলেছে ক্ষমতাসীনরা। রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের সমাধান আর ২০ দলকে হামলা-মামলা দিয়ে সিরাজ সিকদারের মতো দৌড়ের উপর রাখা এক নয়। বিরোধিদলকে যা খুশি করলেও কিচ্ছু হবে না। কিন্তু রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের জন্য যারা দায়ী, টায়রনদের বিরুদ্ধে টুশব্দটি করলেই ক্ষমতা থেকে আউট। ধারাবাহিকভাবে ২০৪১ পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখলেও রোহিঙ্গা ক্রাইসিসের সমাধান ক্ষমতাসীনদের দিয়ে অসম্ভব। কারণ তাদের গোড়ায় গলদ। ক্রাইসিসের
…read more